পিচ্চি স্বামী Vs বাচ্চা বউ [শেষ পর্ব]

Writter: Md. Asfaqul Azom Foysal

আমি আপুর সাথে নিচে গেলাম।
সোফার দিকে তাকাতেই চোখ আবছা হয়ে এলো।বুকের ভেতরে চিলিক দিয়ে উঠো।
কতো বছর পর নিজের আপন মানুষদের দেখছি।
নিজের অজান্তের গাল বেয়ে কয়েক ফোটা পানি গড়িয়ে পরলো।
মা বাবা,চাচা চাচি কিছুক্ষন আহত চোখে আমায় দেখলো।
তাদের চোখে জল কিন্তু মুখে হাসি,হয়তো বহুবছর পর নিজের সন্তানকে দেখতে পাওয়ায় তাদের মধ্যে খুশি জোয়ার বইছে।

আম্মু একপ্রকার দৌড়ে এসেই আমাকে জরিয়ে ধরলো।
কোনো কথা বলছে না শুধু বাচ্চাদের মতো কেঁদে ই চলেছে।

— কোথায় ছিলি বাবা,আমাদের কথা কি তোর একটি বারো মনে পরেনি।কতো জায়গা ই খুজেছি তোকে।কেন গেছিলি আমাদের ছেড়ে বল,তোর আব্বু না হয় রাগের মাথায় ওসব বলেছে তাই বলে তুই আমাদের ছেরে চলে আসবি।

আম্মু আমার মুখে হাত দিয়ে আদর করছে।

–আর কোথাও যাবো না আম্মু।সেইদিন আব্বু তো ঠিক কাজেই করেছিল।
সেদিন যদি আমি বাড়ি থেকে না বেরিয়ে আসতাম তাহলে কি আজ এই জায়গা ই থাকতে পারতাম।কখনো বুঝতেই পারতাম না বাস্তবতা খুব কঠিনের চেয়েও কঠিনতর।

— বাবারে আমাকে মাফ করে দে।আমি সেদিন রাগের মাথায় কতো ন্যায় অন্যায় কথা শুনিয়েছি, না জানি তুই কতো কষ্ট পেয়েছিস।( আব্বু আমার হাত ধরে)

— কি করছো আব্বু,তুমি তো ভুল কিছু করো নি।তোমার জায়গাই আমি থাকলে ঠিক ওমনটায় করতাম।

— খোকা তুই বাড়ি ফিরবি না।( চাঁচি)

— ফিরবে না মানে।ওর বাড়িতে ও থাকবে না তো থাকবে কে? (চাচা)

— বাড়ি! (একটু আনমনা হয়ে)

— হ্যা আজ তো আমরা তোকে নিতেই এসেছি।তোকে ছাড়া বাড়িটা আনন্দহীন হয়ে গেছে বাবা ( আব্বু)

এখন কিভাবে বাড়ি যাবো।মমীর তো কোনো খোজ পাইনি, তাকে রেখেই কি করে এই শহর ছাড়বো।

— আব্বু আমি এখন বাড়ি যেতে পারবো না।

— কেন রে আব্বু।এখন যাবি না তো কখন যাবি। ( আম্মু)

— আমি কিছু দিন পর যাবো

— সে কি কথা ভাই।আংকেল আন্টি কত বড় মুখ করে তোকে নিতে এসেছে আর তুই বলছিস যাবি না ( আপু)

–আমি কিছু জানি না, তুই আজ আমাদের সাথে রাজশাহী যাবি।

— কিন্তু আম্মু…….

— কোনো কিন্তু না খোকা!আজ তুই আমাদের সাথে যাবি।

আমি আর না করলাম নাহ।ঠিকি তো কতো বড় মুখ করে তারা আমায় নিতে এসেছে।
আচ্ছা সবাই তো এসেছে দিশা কই।
হয়তো অন্য কাউকে বিয়ে করে শশুর বাড়িতে আছে।
কুত্তি আমার জন্য একটু অপেক্ষা করতে পারলি না।বলেছিলাম তো একদিন ফিরে আসবো। সেইদিন প্রান খুলো ফাকা আকাশের নিচে চিৎকার দিয়ে বলবো #বাচ্চা_বউ_ তোকে অনেক বেশি ভালোবাসি।
ছিঃছিঃ আমি এসব কেন ভাবছি।এসব ভাবার তো কোনো প্রশ্নই উঠে না,আমার ভালোবাসা তো এখন মমী।
মমীকেই তো আমি বিয়ে করে বউ করতে গেছিলাম তখন তো এসব ভাবিনি তবে কেন এসব ভাবছি।

সবাই আংকেলের সাথে কথা বলে আমাকে নিয়ে বেরিয়ে পরলো।
মনে আলাদা ভালো লাগা কাজ করছে , করবেই না-বা কেন কতো দিন পর নিজের শহরে ফিরবো।কতো স্ত্ততি রয়েছে ঐ শহরে।
আগের দিনের কথা মনে হলেই খুব হাসি পাই,কতোই না জালিয়ে ছি সেই শহরের মানুষকে।আজ এর আম পাড়া, কাল ওর পেঁপে চুরি করা,পরশু ওর হাস ধরে পিকনিক খাওয়া।
সবকিছুর মধ্যে হলো দিশার সাথে খুনশুটি ঝগড়া যা কখনো ভুলার না।
বাচ্চা বউ টাকে কতোই না জ্বালিয়েছি।
!!!!!!!!
!!!!!!
!!!
!!
দীর্ঘ ৯ বছর পর নিজের শহরে পা দিলাম।নিজের মধ্যে অজানা অনুভূতি কাজ করছে।
গাঁ টা কেমন শিহরণ দিয়ে উঠছে।
সব কিছু পাটলে গেছে কিন্তু আমাদের বাড়িটা আগের মতোই আছে।

আচ্ছা বাড়িতে এতো লাইটিং কেন।রাতের আধারে আমাদের বাড়িটা বেশ ফুটে উঠেছে।
মনে হাজারও প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।না এতো চাপ নেওয়া যাবে না। এতো কিছু ভাবলে আমার মাথাটায় না বাস্ট হয়ে যায়।

— আম্মু বাড়িতে এতো সাজানো এতো লাইটিং কেন।( আমি)

— এতো দিন পর আমাদের বাড়িতে খুশি ফিরি আসছে আর আমরা সেটা বরন করে নিবো নাহ!

— এসব তাহলে আমার জন্য।( আমি)

— হুমমমম খোকা।

–তোমরা আমার খোজ পেলে কি করে সেটায় তো জানা হয়নি।( আমি)

— এসব কথা বাদ দে তো বাবা আগে বাড়ির ভেতরে আয় ( চাচা)

আর কথা বাড়ালাম নাহ।বাড়িতে ঢুকে পরলাম।
এতো কিছুর পরেই আরো অবাক হওয়ার ছিল বুঝতে পারিনি।
বাড়িতে আমার নানা বংশ,দিশার নানা বংশ সবাই আছে।আমার দাদা বংশের কেউ নাই আর দিশারও দাদার বংশের কেউ নাই

সবাই আমাকে দেখে চারে দিক থেকে ঘিরে ধরলো।
একে একে সবাই আমার সাথে ভাব বিনিময় করলো।

— হাই হিরো ( কয়েক টা সুন্দরী মেয়ে)

— হ্যালো।

— কি খবর। এতো দিন আমাদের ছেড়ে কোথায় ছিলে??? ( মেয়ে গুলো)

— আকাশে ( জানেনা কোথায় ছিলাম)

— বাহ খুব ভাব দেখছি। জানিস আমরা তোর কে হয়

— কে হন???

— আমি টুনি,এ হলো টুনটুনি আর এ হলো ঝুনঝুনি, ও পুকপুকি ( তার মানে এরা আমার কাজিন)

তাদের নাম শুনে আমি ছোট্ট বেলার মতো আজও জোরে জোরে হাসতে লাগলাম।তাদের ছোট্ট বেলায় নাম নিয়া কম খ্যাপাইনি।এতো সুন্দর চেহরা আর নাম দেখ কিরকম।

— ঐ এতো হাসিস কেন (পুকপুকি)

— তোদের নাম শুনে খুব হাসি পাচ্ছে”

–আরে পাগল এখন নাম দিয়ে কিছু হয়না,রুপ থাললেই হয় ( ঝুনঝুনি)

কিছু কইলাম না কারন তারা সত্যি অনেক সুন্দর।

— তা এখনো কি সিংগেল/?( টুনি)

— না এখন দশ ছেলের বাপ আমি ( ফাজলামি করে বললাম।)

তাদের সাথে বেশ কিছুক্ষন আড্ডা দিলাম।বেশ ভালোই লাগছিল তবে যা বুঝলাম টুনি হয়তো আমার প্রতি দুর্বল, কথা বলার সময় বার বার গায়ে এসে পরছে।
পরিস্থিতি খারপ দেখে সেখান থেকে কেটে পরলাম।

রাতে সবাই একসাথে ডিনার করলাম।
একে একে যে যার মতো ঘুমাতে চলে গেলো।মামাতো ভাইয়েরা আমাকে বললো, সাবধানে বিড়াল মারিস, কানে কানেই বলেছিল কথাটা।
আমি শুধু কৌতুহল নিয়ে তাদের দিকে তাকাচ্ছিলাম,কিছু বলতে যাবো তার আগেই তারা কেটে পরলো।
আমি খাওয়া শেষ করে আমার রুমের উদ্দেশ্য হাটা দিলাম।বেশ ক্লান্ত লাগছে ঠিক মতো সিড়ি দিয়ে উঠতেও পারছি না।চোখে মুখে ঘুম ঢেলে পরছে।

ঢুলতে ঢুলতে আমার রুমের সামনে চলে আসি।এতো বছর পরেও নিজের রুম চিনতে ভুল হয়নি।

রুমের দরজা খুলে রুমে ঢুকে পরলাম।রুমটা ড্রীম লাইটের আলোয় লালচে হয়ে আছে।সারা ঘর ফুলের গন্ধে মো মো করছে।
আরে আমার রুম কেন সারা বাড়িই তো ফুলের সুবাসে সুবাসিত।
দরজাটা লাগিয়ে খাটের কাছে চলে এলাম।

একি আমার খাটে মমী কেন বউ বেসে বসে আছে।
ধুর মেয়েটার কথা ভেবে ভেবে মেয়েটার ঘোরে পরে গেছি।
না জানি মমী এখন কোথায় আছে।
ধুর আমার সামনেই তো আছে।
আরে গাধা এটা তো কল্পনা।

কল্পনার মমীও এতো সুন্দর হয় আগে জানতাম না তো।লাল টুকটুকে বেনারসি তে যা লাগছে না।ইসসসস আজ বাস্তবে যদি মমী এখানে থাকতো তাহলে কতোই না রোমান্স করতাম।

— কি এইভাবে কি দেখছো।বাস্তবে তো আমার বউ হলে না,ফাকি দিয়ে পালিয়ে গেলো তাহলে কল্পনাতে কেন বউ বেসে কেন এসেছো( বলে আমি খাটে শুতে গেলাম)

— কইটা বউ লাগে তোর (খুব কড়া কন্ঠে)

লেহালুয়া কল্পনার মমী আবার কথাও বলছে।
আচ্ছা এটা মমীর আত্না নই তো।
হাজাও প্রশ্নে মাথা গিজগিজ করছে।

— মমী তুমি কি সত্যি সত্যিই মমী ( চোখ থেকে ঘুম উধাও)

— হুমমম কেন বিশ্বাস হয় না ( আমার কলার ধরে শ্যেনচক্ষুতে তাকাচ্ছে)

— তুতুতুমি এখানে কি করে এলে ( আল্লাহ গো এটা নিশ্চয় মমীর ভূত)

— কেন এখানে কার থাকার কথা ( দাতে দাত চেপে)

সত্যি বলতে এখন আমার খুব ভয় করছে।

–না মানে তোমারি থাকার কথা ( ভূতের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে হয় তাহলে তারা কিছু বলে না। হিহিহি ফয়সাল তু তো গ্রেট হে)

ঠাসসসসসসসসসসসসসসসস ঠাসসসসসসসস

আমার গালে দুইটা চর বসিয়ে দিলো সে।কেন মারলো কিছুই তো বুঝলাম না।

— শয়তান, লুইচ্চা,হারামি,সঝাড়ু,ইতর,বাদর নিজের একটা বউ থাকতে অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে চাসস( চোখ দিয়ে পানি পরছে মমীর)

এটা কি হলো চর মারলো আমাকে কাঁদবো আমি।। সেখানে সে কেন কাদছে।আর আমার বউ ছিল সেটা মমী কি করে জানলো আর আমি তো অন্য কাউকে না মমীকেই বিয়ে করতে গেছিলাম। মমীই বা আমার রুমে এলো কিভাবে।
না মাথায় কিছু ঢুকছে না।হ্যাং হয়ে যাচ্ছে মাথা।

— আমি তো অন্য কাউকে না,তোমাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম।( তার কাধে হাত দিয়ে)

ঠাসসসসসসসস ঠাসসসসসসসস ঠাসসসসসসসসস
আল্লাহ এই মেয়ে আমায় কথায় কথায় মারে কেন।

— ঐ কুত্তা আমি কে বল? বল আমি কে বল ( আমার কলার ধরে ঝাকুনি দিয়ে)

— তুমি মমী ( একটু ভয়ে)

ঠাসসসসসসসসসসসসস ঠাসসসসসসসসসসসসসসসস

— আমি মমী তাইনা।তাহলে দিশা কে বল ( সমানে কেঁদে যাচ্ছে)

আল্লাহ এই মেয়ের গায়ে নিশ্চয় জ্বীন নেমেছে।এতোক্ষন ধরে সব সত্যে বলে, তার সাথে তাল মিলিয়ে কথা বলেও আমায় সমানে ধুইলো,ইসসস গালটা কত্তো ব্যাথ্যা করছে।এখন যদি বলি দিশা আমার বউ ছিল তাহলে তো আমাকে মেরেই ফেলবে।

— কে দিশা?আমি তো দিশাকে চিনিই নাহ, ( এবার তো আর চর মারবা না)

— কিহ বললি দিশা তোর কেউ না…….ঠাসসসসস…..
তুই এতো লুইচ্চা নিজের বউকে অস্বীকার করিস…..ঠাসসসসসসস…..সুন্দরি মেয়েদের শরীর ভোগ করার খুব শক তাই না ঠাসসসসসসস…..
এতোই যখন লুইচ্চামি করে বেরাবি তাহলে কেন আমাকে অপেক্ষা করতে বলেছিলি, কেন বলেছি আমার মনে তোর জন্য জায়গা করে রাখতে।কেন বলেছি #বাচ্চা_বউ_তোকে কোনো একদিন এসে বলবো খুব ভালো বাসি ( অনেক ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে)

তারমানে মমীই দিশা।ওহহ সীট দিশার পুরো নাম তো “”মমী আজম দিশা””।
এখন কি করি মেয়েটা তো অনেক রেগে আছে।অনেক কষ্টও পেয়েছে।নিজেকে পুকুরের ঠান্ডা পানিতে চুবাইতে মন চাই।

–দিশাআআআআ ( তার ঘাড়ে হাত দিয়ে বললাম।সে এখন আমার বিপরীত দিকে ঘুরে আছে)

— হাত সরা! তোর ঐ নোংরা হাত দিয়ে ছুবি না আমায়( ফুপিয়ে ফুপিয়ে)

–কাদছিস কেন? আমি কি অন্য কোনো মেয়ের সাথে খারাপ কিছু করেছি আমি তো তোর সাথেই……… ( তার পাশে ঘেষে)

— লুইচ্চা ঐ জায়গাই যদি আমি না থাকতাম।আর তুই তো আমাকে ভেবে ঐসব করিসনি তুই তো অন্য মেয়েই ভেবেছিলি।( হুহু করে কেঁদে)

–ভুল হয়ে গেছে রে প্লিজ মাপ করে দে ( তার সামনে কান ধরে)

— একবারও আমার কথা ভাবলিনা, নাচতে নাচতে বিয়েস জন্য রাজি হয়ে গেলি।( চোখ দিয়ে পানির ঝর্না বইছে)

–আমি কি করতাম বল,পরিস্থিতি টায় ওমন ক্রিয়েক্ট হয়ে গেছিলো। ( দিশাকে বুকে টেনে নিয়ে)

— ছাড় বলছি ছাড়।( বুকে কিল ঘুসি সব একের পর এক বসাতে তাকলো)

–এতো দিন পর কাছে পেলাম এতো সহজে কি আমার #বাচ্চা_বউ_ টাকে ছেড়ে দিবো ( দিশার কানের থলিতে চুমু খেয়ে)

— এখন আমাকে দিয়ে কি করবি রে লুইচ্চা, আমাকে তো ভোগ করেই নিয়েছিস যা এখন অন্য মেয়েকে খুজে নে।। দেখছিলাম তো টুনির সাথে ভালোই গাঁ ঘেষে ঘেষে কথা বলছিলি।( আমার মুখ হাত দিয়ে দূরে সরিয়ে)

–আরে ধুর আমার বউটার কাছে কি কোনো মেয়ে লাগবে। তোর যা………….(বউ তো দেখি আমার ওপর নজর রাখে)

— ঐ লুইচ্চা থাম।তোর মুখে কিছুই আটকায় না।

–আচ্ছা তুই আমাকে চিনলি কি করে!

— “”আজও তোমার অপেক্ষায় “” এটা আমার ফেসবুক আইডি।
তোর সাথে সেই ক্লাস ৭ থেকে এড হয়ে আছে।

— বাহহ তোর তো ভালোই বুন্ধি।একে বারে আমায় বোকা বানিয়ে দিয়েছিা।

— লুইচ্চা বরের বউয়ের তো বুন্ধি থাকায় লাগবে…….. ( আমার বুকে মাথা লুকিয়ে)

–আমি লুচ্চা???

–লুচ্চা না তুই লুইচ্চা……

— দেখবি এই লুইচ্চা কি করতে পারে…..( শয়তানি হাসি দিয়ে)

— কি করবি তুই……..

— খেলবো……

— কি খেলবি……

— সেটা তোর চয়েস। বল চেস্ট খেলবো, না টি-২০ নাআআ ওডিয়া।

— শয়তান একটা কোনো কিছুই মুখে বাধে না।।।

অতঃপ দুইজনে হারিয়ে গেলাম ভালোবাসার সাগরে।

🎷🎷🎷সমাপ্ত🎷🎷🎷

( জানিনা গল্পটা কেমন হয়েছে,হয়তো আশানুরূপ ভালো হয়নি।গল্পে অনেক কিছুই বাস্তব ছিল না সেটা আমি জানি।অনেকে বলেছো গল্পে এতো কিসস কেন??আমি বলি এটায় আমার প্রথম গল্প যেখানে এতো কিসস আছে আর হ্যা গল্পটা আমি কিন্তু অনেক ফানি মুডে লিখেছি।।।।
যারা আমার নিয়মিত গল্প পরো তারা সবাই জানো আমি ইমশোনাল গল্প লিখে থাকি।
যাইহোক ওসব কথা বাদ এতো দিন সময় নিয়ে এই গল্পটি পড়ার জন্য অনেক ভালোবাসা।জানি গল্পে অনেক ভুল ভাল কথা শব্দ লিখা আছে সেগুলা ক্ষমার চোখে দেখবেন।আমি হয়তো কারো কমেন্টের রিপলে দিতে পারিনা তবে সবার কমেন্ট ই পড়ি 

সব শেষে বলি আমার নতুন একটা প্রেমের উপন্যাস আসছে #হৃদয়স্পর্শী আশা করি সবাই আমার পাশে থাকবেন।

সবাইকে অবিরাম ভালোবাসা।।।👏👏

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*