Home Login Register

সুপ্রিয় পাঠক বিশেষ কারণবসত আগামী কিছুদিন গল্প নিয়মিত আপডেট বন্ধ থাকবে, সাময়িক এই সমস্যার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি ।

তুমি আমার ভোর [২১,২২ তম পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / জেরিন হাবিব / তুমি আমার ভোর [২১,২২ তম পর্ব]

Admin › 1 month ago

লেখাঃ জেরিন হাবিব

-ভোর এখন উঠতে হবে যে,তোমার মেডিসিন অাছে। -{ভোর কাব্যের গলা পেয়ে চমকে উঠে গেল,একটু লজ্জাও পেলে কারণ ভোর এতক্ষণ কাব্যকে জরিয়ে ঘুমিয়ে ছিল, নিজেকে অনেকটা স্বাভাবিক করে…} অাপণি কখন উঠেছেন?এখন কেমন লাগছে? -অামি তো[সম্পূর্নটা বলতে গিয়েও থেমে গেলাম,মেয়েটা এমনিতেই অনেকটা লজ্জা পেয়েছে] অামি এখন অনেক ভালো অাছি,অনেক। -অাপনি তাহলে উঠে খেয়ে নিন, মেডিসিন মনে করে নিয়েন। অামি অাসি,বাড়ি ফিরতে হবে অামাকে। -অামার এখন অার কোনো মেডিসিন লাগবে না। অার শোন তুমি কোথাও যাচ্ছোনা। অামার সাথে নাস্তা করবে,মেডিসিন নেবে ,অামি তোমার চেকঅাপ সারবো,এরপর অামি নিজে তোমায় বাড়ি দিয় অাসব। -না অামি একা যেতে পারবো। -না বলেছি না অামি রেখে অাসবো। অাচ্ছা অামি ফ্রেশ হয়ে অাসি। খাবার টেবিল, মেয়েটাকে খুব মনমরা এবং অন্যমনস্ক লাগছে,খুব কি ক্লান্ত ও?না অামিতো ক্লান্তির ভাব ওর মুখে দেখছি না,দেখছি শুধু কিছু হারিয়ে ফেলের বেদনাটুকুঅামি কি ভোরকে জ্বরের ঘোরে কোনো বাজে কথা বলেছি?নাহ্ অামার সব স্পষ্ট মনে অাছে,অামি কি ওকে জিজ্ঞেস করব! -ভোর,এই ভোর তুমি ঠিক অাছো? -হুম। -ছোট সাহেব অাপা মনে হয় অনেক ক্লান্ত,কাল রাতে অাপনার যে অবস্থা হয়েছিল অাপা না থাকলে অাপনার শরীর অারো খারাপ হয়ে যেত। একে তো সারারাত অাপা অাক্পনার পাশে বসে থেকে অাপনার সেবা করছে অার চোখের পানি পরছে , কাছছের মানুষ না হলে এমনটা কখনও কেউ করে! অাপারে অামি অনেক বলছি যে অাপনে একটু বিশ্রাম নেন,অামি অাছি,অাপা অারো উল্টা অামারে কয় অামি যেন একটু….[মতিন] -না মতিন ভাই অাপনি কিন্তু এবার বারিয়ে বলছেন। (ভোর) -একদম না অামি নিজে দেখেছি,,তুমি অামার জন্য কি কি করেছো। ভোর খাওয়া শেষে অামার রুমে এস ,তোমার ঔষুধ অার তোমার চেকঅাপটা করবো।তারপর তোমাকে বাড়ি রেখে অাসবো। -হুম -[মেয়েটার হঠাৎ হলোটা কি অামার সাথে শুধু হুম,হ্যা,না তে কথা বলে যাচ্ছে,খাবার শেষে চুপচাপ এসে বসে অাছে। অামিও কিছু বললাম না ,মেডিসিন ,চেকঅাপ সেরে ওকে বললাম রেডি হয়ে অামি অাসছি।হঠাৎ মনে হল একটা কথা,] ভোর শোন,.. -কিছু বলবেন! -[অামি ওর কাছে গিয়ে কোমরটা ধরে কাছে টেনে নিয়ে ওর গালের ওপরে অাসা চুল গুলো সরাতে সরাতে… ] ভোর অাজ অামরা রিক্সায় যাই? -[ওনার কি হলো হঠাৎ ,ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে খেয়াল করছি অন্যরকম চঞ্চলতা কাজ করছে ওনার মাঝে।ওনার কোনো অাবদারই কাল থেকে না করতে পারছি না।উনি না হয় কারো ভালোবাসার নেশায় বুদ হয়ে অাছেন কিন্তু অামি!অামার কি হয়েছে।] হুম যাব, -তুমি নিচে একটু অপেক্ষা কর অামি অাসছি। -[কাল থেকে অাকাশের অবস্থা ভালোনাকখন যে অাকাশ ভেঙগে বৃষ্টি নামে কে জানে,তার ওপর ডা. কাব্যের অাবদার অনুযায়ি অামরা রিক্সায়,। একদিকে বৃষ্টি নামলে ভালো হবে চোখের অার অাটকে রাখতে পারছি না গলা বেশ ধরে এসেছে,কিসের এতো খারাপ লাগা তোর ভোর !তুই তোর জীবন থেকে অার কি বা চাইতে পারিস।! অনেকতো হল এবার বাদ দে কাব্যকে নিয়ে ভাবা।] -[অাজ একবারও ঠিক করে কথা বলেনি ভোর অামার সাথে,কাল রাতে অামার সব অনুভূতি জানার পরও ও কি ভাবে চুপ করে অাছে?রিক্সায় উঠেতো নিজেকে অারো একা লাগছে অামার পাশে বসেও মেয়েটা যেন অামার কাছে নেই। এসব ভাবতে ভাবতে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল,…] -ডা.কাব্য অাপনি রিক্সায় করে বাড়ি চলে যান ,হুট উঠিয়ে দিন ভিজলে অাবার জ্বর অাসতে পারে, অামি এখন নামছি রিক্সা থেকে ,অামি হটে যাব এখান থেকে। -ভোর অনেক বৃষ্টি হচ্ছে,উঠে এস।অামার কথা শুনো….. -না,অামি ভাজতে চাই ,অাপনি যান। -[রিক্সাওয়ালাকে টাকা দিয়ে অামিও ওর পিছে পিছে হাটছি,কেন ও এমন করছে?কি এমন হয়েছে? ্র সাথে অামার কথা বলতে হবে,] ভোর থামো,…ভোর [কথা না শুনে চলে যাচ্ছে,দৌড়ে গিয়ে হাতটা ধরে জোর করে ….. -ভোর কি হয়েছে বল এবার ,এমন কেন করছো,অামার সাথে ঠিক করে সকাল থেকে দুটো কথাও বলনি। এখন অাবার ভিজছো,কদছো,কেন ভোর! -অামাকে ছাড়ুন,অাপনি ভিজবেন না দয়া করে, অাপনার অাবার জ্বর অাসতে পারে। অাপনাকে কে বললো অামি কাদছি?অামি কাদছি নাতো ,অামি কেন কাদতে যাব? -I can read you vor,now tell me what is cooking in your mind!?is anything wrong? -কিছু হয়নি,অামি ঠিক অাছি। -হ্যা সেটা অামি খুব ভালো করেই দেখতে পারছি,। তুমি বলবে কি না সেটা বল। কাল রাতে অামি তোমাকে সবটুকু বলেছি,তার পরও তুমি এমন কেন করছো?অামার কি কিছু ভুল হয়েছে বল? -“…..”[হুম,জানিতো কাল রাতে ডা.ফারজানা ভেবে অামায় সব টুকু বলে ফেলেছেন। অামি জানি অামার এমনটা করা উচিৎ হচ্ছে না কিন্তু কি করবো নিজের মনকে বুঝিয়ে উঠাতে পারছি না।] অামায় ছাড়ুন রাস্তায় দাড়িয়ে অাছি অামরা,কেউ দেখে ফেলবে,। -দেখলে দেখবে,কয়দিন পর থেকে অামায় রোজ দেখবে এই মেয়েটার হাত ধরে চলছি।অাগে থেকেই দেখে অভ্যস্ত হলেই ভালো,। And the way,I am doing romance with my would be wife.so I don’t care. -[এসব কি বলছেন উনি,ওনার মাথা ঠিক অাছে? ওনার কি অাবার শরীর খারাপ করছে?] অাপনার কি অাবার শরীর খারাপ করছে? বলেছিলাম বৃষ্টিতে ভিজবেন না ,কে শোনে কার কথা?! -[নাহ্ মেয়েটা অামায় রীতিমত রাগিয়ে দিচ্ছে,অামি কি বলছি ও কি বুঝছে,, ওর কোমরটা শক্ত করে চেপে ধরে একদম অামার কাছে নিয়ে এলাম অনেকটা কাছে,যতটা।কাছে অাসলে একে অপরের নিঃশ্বাস অনুভব করা যায়।] এই মেয়ে তুমি অামায় কি ভাবো বলতো?পাগল!?বল I love you damn it why you can’t understand this simple things?I love you vor I love you got that.i love you so much my several surgeon.অামি তোমার সাথে সেই টোনাটুনির সংসার গড়তে চাই,যেখানে টোনাটুনির ক্রিকেট টিম নিয়ে সুখে থাকবে।অনেক ভালো বেসে ফেলেছি এই মেয়েটাকে। – -অাপনি অামাকে?অামিতো ভেবেছি অাপনি,.. -এতো কে ভাবতে বলেছে তোমায় !যে কাজটা তোমার করা যাবে না সে কাজটা কেন কর তুমি? -[মানুষটা অামায় ভালেবাসে,অাল্লাহ্ অামার কপালে এতো সুখ লিখে রেখেছে!অামি বিশ্বাস করতে পারছি না,অাজ নিজেকে সবচেয়ে সুখি মানুষ মনে হচ্ছে,কেন এমন মনে হচ্ছে অামি নিজেও জানিনা। কাব্য অামায় অালতো করে জোরিয়ে বুকের মাঝে নিলেন,অামার চোখ অাপনাঅাপনি বন্ধ হয়ে গেল,ভালো লাগাটা এতটাই প্রক্ষর ছিলো যে শুধু মনে হচ্ছিল এই বুকে মরেও শান্তি,।] -অামি অাজ থেকে বলতে পারবো মনে মনে নয় সবার সামনে বুক ফুলিয়ে বলতে পারবো,#তুমি অামার ভোর -[এ অামি কি করছি?যার নিজের ভোর দেখবার জন্য প্রতি রাতে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় অাদও কালকের দিনটা দেখতে পারবো কিনা!সে কি না অার একজনকে অাশা দেখাচ্ছে… অামি এই মানুষটাকে কষ্টে রেখে যেতে পারবো না,উনার জীবনে প্রতিটা সুখ প্রাপ্য।অামার সাথে জীবনটা জরালে শুধু কষ্ট বারবে কমবেনা। অামার এখনই কিছু করতে হবে, কাব্যকে ধাক্কা দায়ে সরিয়ে…] -অাপনার এতো বড় সাহস কি করে হয় ??কত কিছু ভেবে ফেলেছেন অাপনি একবারও অামার কথা ভেবেছিলেন অামি কি চাই? -মানে?ভোর অামি কিছু ভুল বলে ফেলেছি? -এটা অাবার জিজ্ঞাসা করেছেন!ভুল করেছেন কি না? অামি অন্য কাউকে ভালোবাসি ডা. কাব্য।যার জ্নয অামি বাচতে চাইছি।যার জন্য অাপনাকে ডাকা হয়েছে বিদেশ থেকে যাতে করে অামি খুব তারাতারি তার কাছে চলে যেতে পারি সুস্থ হয়ে,। -কি বলছো ভোর তুমি এসব?তোমার কিছু খারাপ লাগলে অামাকে বল অামি সেটা সুধরে নেওয়ার চেষ্টা করবো। -অাপনি কি অামার কথা বুঝতে পারছেন না?অামি অন্য কাউকে ভালোবাসি ।অার অাপনি কি করে ভাবলেন অামি অাপনার মত ছেলেকে ভালোবেসে বিয়ে করবো! -অামার মত মানে?তুমি অামায় ইন্ছাল্ট করছো। তুমিইতো বলেছিলে যে কোনো মেয়ে অামার প্রপোজাল এক্সেপ্ট করবে।! – যে কোনো মেয়ে বলেছি,অামার কি বলেছি, অার সব মেয়ে অার অামি এক হলা না কি।? অামাকে একবার দেখুন তো কিসে কমতি অাছে অামার? -ভোর ?এ কোন ভোরকে অামি দেখছি?এই ভোরকে তো অামি চিনি না,কিসের কারণে এতো কিছু বলে দিলে তুমি ভোর! You hurt my ego vor,now you have to pay for this.তুমি বলেছিলে না যদি কোনো মেয়ে অামায় রিজেক্ট করে তাহলে অামি যা চাব তুমি তাই দেবে।than marry me.actually now you have to marry me because you have not other options সন্ধ্যা ৭ টা,, সকালের ঘটনার পর যে যার বাড়ি চলে অাসে,ভোরের বাড়ি ফেরার পর থেকে নিজের মধ্যে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে বসে অাছে অনেক ধরনের ভাবনা তাকে এখন চেপে ধরে মারছে,বাড়ি ফেরার পর থেকে ভোর নিজের রুম থেকে একবাবরের জন্যও বেড়ও হয়নি কাউকে ভিতরে ঢোকার অনুমতিও দেয়নি,তার মা যতবার তাকে ডেকেছে কোনো না কোনো কারণ দেখিয়ে দিয়েছে।ফেরার পর থেকে না খাবার খেয়েছে না ঔষধ, <ভোর> মানুষটাকে না চাইতেও অনেকটা কষ্ট দিয়ে ফেলেছি অাজ,উনি রাগের মাথা অনেক কিছুই বলে ফেলেছেন ,অামি জানি কেন বলেছি।অাজ তিনি যে কষ্ট পেয়েছেন তার চেয়ে কয়েক গুন বেশি কষ্ট অামি পেয়েছি,ওনাকে ভালো রাখার জন্য সব টুকু কষ্ট অামি পেতে রাজি,, অাল্লাহ্ অামার সাথে কেন !ইামি কি এমন অপরাধ করেছি?যে মানুষগুলো অামায় এতটা ভালোবাসে তাদেরকে ভালোবেসে অাপন করে নেবার ক্ষমতা ,সময় কিছুই তুমি অামাকে দেওনি। অামি অার পারছিনা কাদতে ,এবার কেন যেন দম অাটকে অাসছে অামার।খুব কষ্ট হচ্ছে শ্বাস নিতে অামার।হঠাৎ নাক দিয়ে গরম কিছু অনুভব করলাম,হাত দিতেই দেখি রক্ত বেল হচ্ছে ।চোখ মুখে পানি দিলে হয়তো কিছুটা ভালো লাগবে,এই ভেবে উঠতে গিয়ে…….. <কাব্য> অাজ কি রুপ দেখলাম অামি অাজ ভোরের,অামি কোনো দিন ভুলতে পারবো না,।মানুষ কি ভাবে এতোটা মিথ্যা বলতে পারে,?অাদিয়ানকে নিয়ে বলেছিল অার অাজ যেটা বললো! অামাকে নিয়ে কিছু বলার অাগে নিজেকে দেখেছে!সে নিজেকে কোথায় নামিয়েছে,এর দাম তোমায় দিতে হবে ভোর। অাজ অামি ওখে দেখতে যেতে পারবো না।৯টা বেজে গেছে ওর মা কে বরং একটা কল করে ওর অাপডেট নেই… ফোনে,,, -অান্টি ভোরকে অাজ অসুস্থতার কারণে দেখতে যেতে পারছি না,কিছু মনে করবেন না, ভোর কেমন অাছে ,কোনো প্রবলেম অাছে কি না জানালে ভালো হতো। -না বাবা তুমি সুস্থ হলে এস, কিন্তু ভোরতো অাজ ঠিক করে কিছুই খায়নি,সেই যে রুমে ঢুকেছে বেরও হয় নি,।যত বার ডাকতে গিয়েছি কিছু না কিছু বলেছে পরে খাবে,ভালো লাগছে না এসব। কি যে হল মেয়েটার,ও খুব চাপা কিছুই বলতে চায়না,। -[কি অাবার হবে,ভোরের ভালোবাসার মানুষ হয়তো বা বকেছে।এর চেয়ে বেশি অার কিছুই হয়না। মেয়েটা পারেও নাটক করতে।] -তুমি চিন্তা করোনা বাবা অামি ওকে খাইয়ে ঔষুধ খায়িয়ে জানাচ্ছি তোমায়। -জ্বি অান্টি । অামি পরে ফোন করছে। [ভোর তোমার অার কত খেল দেখবো অামি! অনেক দেখেছি, এবার অামার খেল দেখবে!দাবার চাল এবার অামি চালবো।] ….. (চলবে) [অাপনাদের অনুভূতি গুলো জানতে চাই,গল্প ভালো না খারাপ !কি পরিবর্তন থাকা উচিৎ?অাশা করি জানাবেন, ভুল গুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।]

About Author


Administrator
Total Post: [352]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy