Home Login Register

Naw Story Will Update Regularly......

তুমি আমার ভোর [১৫,১৬ তম পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / জেরিন হাবিব / তুমি আমার ভোর [১৫,১৬ তম পর্ব]

Admin › 2 months ago

লেখাঃ জেরিন হাবিব

<কাব্য> ভোরে রিপোর্টে একটু প্রব্লেম দেখছি।মেয়েটা মনে হয় বাড়িতে থাকা কালিন কিছু গড়মিল করছে।কালকের স্যাম্পল যেগুলো গেছে হাসপাতলে সেগুলোর রিপোর্ট পেলাম অাজ ,,একটু এ জন্যই দেরি করে যাচ্ছি ভোরের কাছে।সকালের চেকঅাপটা সেরে অামি অাজ একটু বকেই দেব।মেয়েটা করো কথা যদি শোনে। অামি ভোরের বাড়ির গেইটে দাড়িয়ে অাছি, বাড়ির ভেতর থেকে ভোর অার একটা গলায় হাসি,কথা অাসছে ভেসে। যেটা পুরুষশালি,না এটা ভোরের বাবার গলা না,উনিতো এখন অফিসে থাকার কথা।ভেতরে গিয়েই দেখতে হবে। ভেতরে গিয়ে দেখছি একজন ছেলে অার এটাও দেখছি ভোর খুব সহজ ও স্বাভাবিক তার সাথে।বুঝাই যাচ্ছে তাদের পরিচয় অনেক অাগের।।কি এমন বলেছে ছেলেটা ,যে ভোরকে হেসে পুরো বাড়ি মাথায় তুলতে হবে!! -ভোর কেমন অাছো।?(কাব্য) -ভালো ,অাপনি?(ভোর) -ভা [কোনো পাত্তাই দিল না] -উনি অামার ডাক্তার ।ডা.কাব্য ও অামার বেস্ট ফ্রেন্ড ,জিহাদ। – হাই, অামি জিহাদ।অাপনিই ডা.কাব্য।!বাবা বলছিলেন অাপনার কথা। কাল ফিরেছি দেশে,ভোরের সাথে দেখা না করে থাকতে পারলামনা ,তাই চলে এলাম। তো বসুন,অাড্ডা দেওয়া যাক।(জিহাদ) -হুম। সরি অাজ পারছি না।অামার কিছু কাজ অাছে হাসপাতালে সেগুলো অাজ সারতে হবে।ওকে দেখেই এখান থেকে হাসপাতালে যাব। ভোর একটু তোমার রুমে অাস তোমার চেকঅাপ সারি।অার কিছু কথাও অাছে।(কাব্য) -অাপনি এখানেই দেখুন, অামি এখন যেতে পারবো না। (ভোর) -তুমি অাসবে কি না সেটা বল?{রেগে} -ঠিক অাছে ,অাপনি গিয়ে বসুন অামি অাসছি। <কাব্য> মেয়েটা এত দেরি করছে কেন?অামি কি এখানে সারকাছ দেখাতে এসেছি?অামার সময়ের কোনো দাম নেই?অামি ওর জন্য পুরো দিন বসে থাকতে পারবো না।এতক্ষণে অাসার সময় হলো। -দরজা লাগাও।[ ভোর এসেছে হাতে কিছু নাচতে নাচতে,তোমার নাচ অামি বের করছি] -হুম চাপিয়ে দিয়েছি। -[ওর দরজা চাপানো মাত্র,ওকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরলাম। অামার রাগে মাথা ফেটে যাচ্ছে অার সে চোখ বুজে অাছে।কই এতক্ষণতো জিহাদের সাথে থাকাকালীন ভয়তো ছিল না,অামাকে কেন ভয় পায়,অামি কি করেছি?ওর সাথে তো দিব্বি হেসে কথা বলছিল। অামি ওর অনেক কাছে অনেকটা।ওর নিঃশ্বাস অামার বুকে এসে পরেছে,অার অামার নিঃশ্বাস ওর কাধে।মনতো চাইছে ওর কাঁধে অামি চুমু খেয়ে নেই।কিন্তু রাগ অামার সেই অনুভূতিটাকে দমিয়ে রাখতে সক্ষম। অামি ভোরের এক হাত দেওয়ালে চেপে ধরে অার এক হাত দিয়ে ওর কোমর চেপে ধরেছি।] এতোক্ষণ তো খুব হাসছিলে ,অামার সামনে হাসি বন্ধ হয়ে যায় তাই না!?অামি খারাপ তাইতো? -অামি কখন বললাম যে অাপনি খারাপ!(ভয়ে) -কালই তো বললে অামি খারাপ,ভালোতো ওই জিহাদ না?অার একবার যদি দেখেছি জিহাদের সাথে পা ভেঙ্গে ফলবো বলে দিচ্ছি ভোর। -ছারুন অামাকে ,অামার লাগছে।অামাকে ধরেছেন কেন?যান না অাপনার ওনাকে গিয়ে ধরুন। অার জিহাদ অামার ছোটো বেলার বন্ধু ,অার অামি অাপনাকে কেন বলবো?অামি কার সাথে মিসবো কার সাথে না!! -হঠাৎ অনেক বড় হয়ে গেছো ভোর,এই পরির্বতন কি জিহাদে জন্য ভোর?[একবার বোঝার চেষ্টাও করলে না,কেন বলেছি? তুমি এভাবে বলতে পারলে!]{ওকে ছেড়ে দিয়ে} -“……” -[তোমার নিরবতা অনেক কিছু বলে গেলো ভোর] অাজ তাহলে অামি অাসি ,সন্ধ্যায় দেখা হবে,নিজের খেয়াল রেখো। অামার খুব কান্না পাচ্ছে ভোর ।অামি কাদছি ভোর ।তোমার সামনে থেকে চলে এলাম কারন তোমার সামনে অামি কাদতে পারবোনা।অনেকটা ভয় কাজ করছে তোমাকে পেয়েও হারানোর।ভোর অামি তোমাকে অন্যের হতে দেখতে পারবোনা।তুমি অামার ভোর,শুধু তুমি কাব্যের ভোর। <ভোর> অাজ সকাল থেকে অামার মাঝে মাঝে খুব শ্বাস কষ্ট হচ্ছে,হাত কাপছে।অাজতো ডা. কাব্যও ভালো করে দেখলেন না,অামার জন্য সময় কোথায় ওনার॥ওনার নাকি অনেক কাজ ,জানি তো কি কাজ অাছে,ডা.ফারজানা ।ভালোই হয়েছে দেখেনি।দেখলে হয়তো হাসপাতালে নিয়ে যেতেন।অার অামি ফাহাদ ভাইয়ার এনগেজমেন্ট পার্টি টা মিস করতে পারবো না।ডাক্তার অাঙ্কেল অামার জন্য সব অারো তারাতারি এরেঞ্জ করেছে।অামি যাতে থাকতে পারি,সেখানে যদি অামি না থাকি… যাই হোক,, জিহাদকে একটু হেল্প করা যাক ,ও বাহিরে বসে মার সাথে কথা বলছে,অামি একটু ওকে হেল্প করলে ও খুশি হবে অামি ও একটু ঠান্ডা মাথায় থাকতে পারবো।ডা.কাব্যক ে নিয়েতো অন্তত্য ভাববো কম,ওনাকে নিয়ে ইদানিং অামার যে কি হয়েছে,,উনি কাছে অাসলেই অামি অন্যরকম অনুভব করি,ওনার অামাকে করা স্পর্শ অামাকে শিহরিত করে,ওনাকে বাঁধা দিতে চেয়েও অামি পারিনা ওনাকে বাধা দিতে।পারিনা না কি অামি চাই না ওনাকে বাধা দিতে,সেই প্রথম দিন থেকে এই অনুভূতি কাজ করছে।মাঝে মাঝে ডা.কাব্য যখন অামার অনেকটা কাছে চলে অাসেন,তখন সেই মুহূর্তকে উপোভোগ করতে ভালো লাগে।সাথে এমনও মনে হয় যেন সহজে শেষ না হয়। অামি জানি এমন ভাবাটা অামার ঠিক না,উনি অন্য করো।ওনার সবকিছু কোথাও যেন অামার ভালো লেগে গেছে। নাহ্,অামি এসব কি ভাবছি।ভোর এখন ওঠ সে অনেকক্ষণ থেকে অায়নার সামনে বসে অনেক অাকাশ কুসেম কল্পনা করেছিস,কাব্য না কি তোর হবে,উনি অন্য অার একজনের বাহুঢোরে বাধা।সে কখন বলে এসেছি,জিহাদের সাথে নাকি যাব অামি,চোখের পানি মুছে রুম থেকে বেরিয়ে এলাম। বেলা ২ টা,, -হ্যালো ভোর,!ডা.ফারজানা তোমাকে ওনার চাম্বারে অাসতে বলেছেন। তুমি রেডি হয়ে নেয় অামি অাসছি তোমাকে নিতে।(কাব্য) -না,অাসতে হবে না এখন।অামি জিহাদের সাথে অাছি,ওর বাড়িতে,ওর কিছু কাজে অামি ওকে হেল্প করতে এসেছি। অাচ্ছা অামি এখন রাখছি ,পরে কথা বলছি,অামি একটু ব্যস্ত অাছি। (ভোর) [ও এখন ভোর কে লাগে না !ডা.ফারজানার সাথে দেখা করার জন্য,অামি জানিতো খুব ভালো করে ওখানে অামায় বসে রেখে রীতিমতো প্রেমালাপ চলবে।অামি কেন যাব ,অামি তো যাব না।তার দরকার সে যাবে। জিহাদকে হেল্প করতে গিয়ে অামার অনেকবার অসুখের বেরে যাবার সিমটোম্স গুলো দেখা দিয়েছে।যদিও অামি চেপে গেছি।জিহাদ দেখলে অামাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতো।মেডিসিন নিয়েছি ,দেখা যাক কতক্ষণ ভালো থাকি। কাজ করতে কখন যে ৫ টা বেজে গেছে খেয়ালই করিনি,জিহাদ কে বাকি কাজ টুকু সামলিয়ে নিতে বলে অামি চলে এলাম ,অামাকেও তো তৈরি হয়ে যেতে হবে।] <কাব্য> ও ফোনে বললো ও নাকি জিহাদের সাথে অাছে।এখন ওর ট্রিটমেন্টের চেয়ে জিহাদ ওর কাছে বেশি ইম্পরট্যান্ট , that’s really great! কি এমন অাছে ছেলেটার মধ্যে !এই ছেলে ফিরে এসে তো অামার মহা জ্বালা হলো,ভোরতো অামার কোনো কথাই শুনছে না,খুব রাগ লাগছে।রাগ কন্ট্রোল না করতে পেরে কখন যে দেয়ালে অাঘাত করে বসেছি নিজেরই খেয়াল নাই।এখন হাতের ওপর ব্যাথা করছে।থাকুক না ব্যাথাটা,এটা মনে থাকবে যে অামার দাম নেই ভোরের কাছে।এ ব্যাথা ওর কাছে যেতে বারং করবে,কিন্তু পারিনা তো ,ও নেশার মত অামার ভেতরে ঢুকে গেছে। অাজতো রাগের কারণে চেকঅাপও করিনি,ভোরের শরীর টা ভালো না,রিপোর্টস তাই বলছে।ভোরকে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া অামার কর্তব্য ,যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতির কোনো জায়গা নেই। অাজ ভোরের চেকঅাপ পার্টিতে অব্যশই সারতে হবে। সন্ধ্যা ৭.৩০,, সবাই এসে গেছে প্রায় ,অনেক মানুষ,অামিও ডা. ফারজানাকে পিক্ করে চলে এসেছি ।ভোরের বাবা মাও চলে এসেছে,কোই ভোরতো এখনো এলোনা,এমনি শরীর খারাপ।নাযানি কি কি না চেপে যাচ্ছে,ওর বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ,ওনারা বললেন গাড়ি নাকি অনেকক্ষণ অাগে ওকে নিতে চলে গেছে।ওর কিছু হল না তো,।নাহ্! অামি অার পারছিনা চিন্তা করতে,ওর কাছে যাব অামি এখনই।ফোনে ড্রাইভারকে গাড়ি পার্কিং লঞ্চ থেকে বেড় করতেই দেখছি গেইট দিয়ে কেউ একজন ঢুকছেন। জিহাদকে দেখলাম বেশ তরিহরি করে মেয়েটার কাছে গেলো। একটা কালো লাল জামদানি শাড়ি অাচল ছেড়ে দিয়ে পড়া,হাতে কাচের চুরি,চুল গুলো ছাড়া,চোখে টেনে কাজল দেওয়া,ঠোটে লাল লিপস্টিক দেয়া।অসাধারণ সুন্দর লাগছে মানুষটাকে।ও অামার ভোর।অাজ অন্য রকম মাত্রা যোগ করেছে ভোর নিজের মধ্যে ।বেশ কিছু মানুষের নজর এক মুহূতে কেরে নিয়েছে। -welcome my lady,am just waiting for you.(জিহাদ) -এই জিহাদ তুমি কি শুরু করলে বলে তো।হাত বাড়িয়ে দাড়িয়ে অাছো কেনো?(ভোর) -তুমি কি নিজেকে এাার অায়নায় দেখেছো! -কেন?খুব বেশি খারাপ লাগছে তাই না। ? -পাগল মেয়ে ,তুমি অার মানুষকে পাগল করে ছাড়লে,ঠিক করে তাকিয়ে দেখ একবার। ……. (চলবে)

About Author


Administrator
Total Post: [356]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy