Home Login Register

Naw Story Will Update Regularly......

তুমি আমার ভোর [১৩,১৪ তম পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / জেরিন হাবিব / তুমি আমার ভোর [১৩,১৪ তম পর্ব]

Admin › 2 months ago

লেখাঃ জেরিন হাবিব

-ভোর বলছি যে অনেকটা ঝাল খেয়ে ফেলেছি ,বাড়ি ফিরে অামাকে মেডিসিন নিতে হবে,বাড়ি ফেরার ও সময় হয়ে এসেছে , অামরা এখন গাড়িতে যাই??!(কাব্য)
-গাড়ি তো অাসতে দেরি হবে ।(ভোর)
-অাসলে গাড়ি অামাদের পেছনেই ছিল,মানে তোমার কোনো এমারজেন্সি হলে যাতে দেরি না হয়।অামি কোনো রিস্ক নিতে পারবো না তোমাকে নিয়ে।ড্রাইভার কে কল করি।?
-হুম
-[গাড়িতে করে তো বাড়ির দিকে যাচ্ছি,কিন্তু ভোরের চোখের নোনা পানি অার অামার ঝাল কোনোটাই থামছেনা।ভোর বাহিরের দিকে তাকিয়ে থেকে নিরবে কেদে যাচ্ছে।]
ভোর সারাদিন তো অনেক কথা বললে এখন একদম চুপ হয়ে গেছো যুভে?!
-অাপনি অামার সাথে কথা বলবেন না।তখন অাপনাকে বললাম লবন খেতে ,অাপনি খেয়েছিলেন?তখন অাপনি খেলে এখন অার এমন উঃ অা করছেন না…
খবরদার অাপনি অামার সামনে উঃ অা করবেন না।
-[মেয়েটা কেদেই যাচ্ছে।অনেক অাটকানোর ব্যার্থ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু কোনোই লাভ হচ্ছে না।অামার সাথে কথাও বলছে না,অামার ওর চোখের পানি সয্য হয়না তবে কোথাও যেন এক প্রশান্তি কাজ করছে সবকিছু মিলিয়ে,প্রায় চলেই অাসলাম ভোরের বাড়ির গেইটে।]
-ডাইভার সাহেব অাপনি গাড়ি ঘুরিয়ে নিন,অামি ভোরকে বাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে অাসছি।(কাব্য)
-কোনো দরকার নেই।অামি এতটুকু চলে যেতে পারবো।(ভোর)
-অামি তো তোমাকে জিজ্ঞাসা করি নি লাগবে কি।I know my responsibility অামাকে না বলতে অাসলেই ভালো হবে।
[গাড়ি থেকে নেমে মেয়েটা হনহন করে চলে যাচ্ছে।কিছু বললোও না।?বলবেই বা কি করে অাগে কান্নাতো থামাক।দৌড়ে গিয়ে হাতটা টেনে কাছে কোমরটা চেপে ধরলাম।ছারানোর চেষ্টা চলছে।অামি অারো শক্ত করে ধরেছি ওকে]
তুমি পারবে অামার সাথে।
-চেষ্টা করতে তো কোনো দোষ নাই।
-ফল কি কিছু পাচ্ছ??অার সেই কখন থেকে ,,নোনা পানির এই বৃষ্টি থামছে না কেনো?
-জানি না।নিজেই উত্তর খুজে বেরাচ্ছি কখন থেকে।
অামাকে অাটকে রেখেছেন কেন!?
-মরিচের ঝাল কমানোর জন্য।
-মানে??
-[অার কিছু বলার সুযোগই অামি ওকে দেই নি।তার অাগেই অামি ওর চোখ দুটোতে মন ভরে চুমু খেয়ে নিলাম।
যাক, কান্নাও থামলো এবার]
এবার অামার কমে যাবে ভোর।অনেকক্ষণ পর শান্তি লাগছে খুব,অনেক ঝালা করছিলো।

<কাব্য> 
[মেডেসিন নেবার পরও মেটে ঝালা করছে।কি যে করি,এসব ভাব ভাবতে ভাবতে রাত ১১.৩০ এক অচেনা নামবার থেকে কল,,,]
-হ্যালো,কাব্য বলছি।কে বলছেন? 
-“…….” -হুম ভোর বলো,কিছু বলবে? ভোর তুমি ঠিক অাছো?কোনো ধরনের কমপ্লিকেশন্স হচ্ছে ??অামি অাসবো ভোর,? 
-অামি একদম ঠিক অাছি। অাপনি কিভাবে বুঝলেন অামি ফোন করেছি? -কেন যেনে কি হবে?
-অামি তো অাজ প্রথম বাবা কাছ থেকে অাপনার ফোন নামবার বাবা কাছ থেকে নিয়ে ফোন দিলাম ।অামার নামবার ছিল অাপনার কাছে? 
-না,ছিলো না। 
-বুঝলেন কি করে? 
-অামি তোমার নিশ্বাস চিনি ভোর। I can feel you vor 
-“…….”
-এখন চুপ করে অাছো যে,?কিছু বলবেনা?
-অাপনি এখন কেমন অাছেন ?
-[ভোর অামার যে অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে তোমার খেয়াল পাওয়ার।] ভালো অামি অনেক অাগেই হয়ে গেছি।এখন শুধু পেট জ্বলছে। 
-মেডেসিন নিয়েছেন? 
-হুম।নিয়েছি। 
-এখন অাইসক্রিম খান অনেকটা কমে যাবে। 
-সাদেই কি অামি তোমাকে সিভিল সার্জেন বলি।এই কথাটা অামার একটুও মাথায় অাসেনি।
-এমন না করে, যার সাথে এসব হয়েছে তার সাথে সব মিটিয়ে নিন। 
-হয়ে গেছে মিটমাট। 
-[ও এর মাঝে হয়েই গেলো মিটমাট।ভালো।অামার কি।] অামি তাহলে ফোন রাখছি।।।(অভিমান করে)
-ফোন যখন দিয়েছো অার একটু কথা বলি??
-“……” [অামি কেন কথা বলবো ,বলবো না তো অামি কথা,] -এইমেয়ে এখনো ঘুমাওনি কেনো?মেডিসিন নিয়েছো? 
-“………..” 
-ভোর কিছুতো বলবে। 
-অাজ অার ঘুমাতে পারবো বালে মনে হয়না।…., 
-ভোর ভোর ভোর,?, [ফোনটা রেখে দিল ফোনটা?কেন?কিযে করে মাঝে মাঝে] 

<কাব্য>
অামা এখন ভোরের সেই নিঃস্পাপ চেহারার সামনে বসে অাছি,খুব স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে অনেক কেদেছে।কান্নার কারণ কি কেউ জানেনা।অামি সকালে চেকঅাপ করতে অাসে জানতে পারলাম সারা রাত না কি জেগে ছিল।মখের সামনে অাশা চুলগুলোর ওপর ভোরের অনেক ক্ষোভ,ঘুমের মধ্যে রীতিমত চুল গুলোর সাথে যুদ্ধ করছে সরানোর জন্য।অামি চুল গুলো সরিয়ে নিজেকে অার সামলাতে পারলাম না, কপালে একটা চুমু খেয়ে নিলাম। অার দোয়া করলাম শেষ নিশ্বাসেও এই মুখটা দেখতে পারি।অামি মনে হয় ওর অনেকটা মায়া জালে অাটকে পরেছি।অাজকে ওকে একটা ঘুমের ইঞ্জেকশন দিলাম যাতে অারো ঘুমাতে পারে।ঘুমের অভাব ওর নার্ভাসকে অারো দূর্বল করবে।ইঞ্জেকশন দেবার সময় ও অাউঃ করে উঠে একটা কথা বললো,অামি নাকি খুব খারাপ।বলে অাবার ঘুমিয়ে পরেছে।কেন বললো ও একথা।?কিছুতো বলেও না কখনও।খালি সব কিছু চেপে যায়।
চলে অাসবো এইসময় ওর টেবিলে রাখা একটা একটা কাগজের ওপর।ওখানে যত্ন করে লেখা একটা কবিতা।-
অামি ভালো অাছি তুমি ভেবে হয়ে অাছো শান্ত,
কিছু অজানা কথা অামায় কুরে খাচ্ছে প্রতি অন্ত॥
ভেবেছিলাম কোনো এক ভারি বর্ষনে মাথায় ফুল গুজে দেবে,
বলবে ভালোবাসি প্রিয়তম,হাটতে চাই তোমার সাথে অন্যন্তে,
মিছে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে এ মন,যা ভাঙছে প্রতিক্ষণ॥
তোমার সুখের জগতে হতে চাইনে কোনো কালপিটের ন্যায় নরাধম,
চাই তব ভালো থেকো প্রিয় সুখটুকু করে অাপন,ক্লান্তিটুকু দূরে ঠেলে।
সময় ফুরিয়ে এসেছে অামার,যাবো তব তোমার দুঃখটুকু অাকরে ধর…

মেয়েটা অারো কিছু লিখতে চেয়েছিল,লেখেনি।কিন্তু কার জন্য লিখেছে?
নাহ্!ওর জন্য ডা.ফারজানাকে বলতেই হবে।ওনার সাথে অামার কথা হয়েছে ভোরকে নিয়ে।ওনাকে অাজই অানবো রাতে।মেয়েটির মাথা থেকে অাজে বাজে চিন্তা বের করা খুব জরুরি।

রাত ৯ টা,,
-অান্টি ভোর কোথায়?(কাব্য)
-বাবা,অাজ ও ওর রুম থেকে বেরই হইনি।রুমেই অাজে।(মা)
তোমার সাথে উনিকে?
-অামি ডা.ফারজানা,ভোরের কাউনসিলর।(ডা.ফারজানা)
-অান্টি ওকে একটু ঢেকে দেবেন?!অাজ এখানেই চেকঅাপ,পিচয় পর্ব সব সারি।
[ভোর অান্টির ডাকে অাসলো,খোপায় কাটা গুচতে গুচতে।কি যে দারুন লাগে সারাদিন হর ওকে দেখতে কাউকে বোঝাতে যদি পারতাম।সব ক্লান্তির অবষান ঘটে ওই মুখটা দেখলে।
ভোরের মুখে বেশ মেঘ মেঘ ভাব,কেন কি হয়েছে মেয়েটার]
ভোর উনি ডা.ফারজানা তোমার কাউনসিলর।(কাব্য)
-অামার অাবার কাউনসিলর কেন?(ভোর)
-বেশি কথা বলা হয়ে যাচ্ছে না!বেশি কথা না বলে এখানে এসে বস।(কাব্য)
-অাহ্,,কাব্য তুমি ওকে বকছো কেন?অাজ অামি অার ভোর গল্প করবো।(ডা.ফারজানা)
-[বাবা তুমি?
ওনেক্ষণ হলোতো বসে অাছি,অামায় কিছু প্রশ্ন করে বসিয়ে রেখেছে। উনি অার কাব্য গল্প করে যাচ্ছেন।অামাকে বসে রেখেই বা কেনো।
না,অামার এবার অপমানিত বোধ হচ্ছে।পারছি না এখানে বসে থেকে ভাব জমা গল্পের দর্শক হতে।অামি উঠে রুমে যাই।](ভোর)
-এই মেয়ে কোথায় যাও?বস,অামিতো চেকঅাপই করলাম না ।(কাব্য)
-অাপনাকে দেখে অনেক ব্যস্ত বলে মনে হচ্ছে।অামি পরে অাসছি।(ভোর)
-অামি যতক্ষণ থাকতে বলবো তুমি এখানে থাকবে বুঝলে?(কাব্য)[তুমি কেনো বঝোনা তোমার সাথে অামার যে সব সময় থাকতে ইচ্ছে করে]
-[ডা.কাব্য অামাকে জোড় করে বসিয়ে রেখেছেন,খুব কান্না পাচ্ছে অামার,কেন পাচ্ছে সেটাও জানি না।ভালো লাগছে না অামার 
এসব ভাবতেই খেয়াল করলাম ডাক্তার অাঙ্কেলের গলা](ভোর)

-ভোর মা এইনে,ফকহাদের এনগেজমেন্ট কার্ড ,
এখানে ডা.কাব্য অার ফারজানাও অাছেন দেখছি ।অাপনাদেরকে অাসতে হবে,কার্ড কি দিয়েছি।(ডাক্তার অাঙ্কেল)
-অামি যাবো অাঙ্কেল।(ভোর)
-ফারজানা তুমি তৈরি হয়ে থেকো অামি তোমাকে নিয়েই স্যারের ওখানে যাবো।(কাব্য)
-কাল সন্ধ্যায় কিন্তু,দেরি জেনো কারো না হয়।
মারে তোর কথা জিহাদ ফিরে থেকে বলছে,ফিরেই এসব কাজে জিহাদ লেগে পরেছে।ফিরেছে অাজই।তোকে একটু অাগে ভাগে যেতে বলেছে কিন্তু।(ডাক্তার অাঙ্কেল)
-[উনিই মনে হয় কাব্যের উনি।ভালো তো,হ্যা ওনাকেইতো নিয়ে যাবেন।যান না কে মানা করেছে?এতে এতো ঘটা করে বলকর কি অাছে?]
জিহাদ এসেছে?!অার তুমি অামাকে এখন বলছো?অামি ওকে হেল্প করতে যাবো অাগেই একবার।(ভোর)
-[জিহাদ এসেছে তো ওর এতো এক্সসাইটেডমিন্ট কিসের!!এতো এক্সসাইটেডমিন্ট অামার সয্যো হচছে না]
……..
(চলবে)


……….. 

About Author


Administrator
Total Post: [356]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy