গ্যাংস্টার [৮ম পর্ব]

লেখাঃ রওনাক ইফাত জিনিয়া

আঁকাবাঁকা মেঠো পথের দুপাশে গাছপালায় ভরা তার মাঝখান দিয়ে গাড়ীটা যাচ্ছে।কোন কথা না বলে পুরো রাস্তাটা আমি উপভোগ করেছি।প্রায় তিনঘন্টা পর আমরা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলাম।বাড়িটা বেশ বড় আর অনেকগুলো ঘর সারিবদ্ধভাবে অবস্থিত।দেখলেই বুঝা যায় একে অপরের সাথে বেশ মিল রয়েছে তাদের।গিয়ে দেখি রাতুলের মা শুয়ে আছে।আমরা যতটা ভেবেছিলাম তেমনকিছু হয়নি হালকা ব্যাথা পেয়েছেন। আসলে রাতুলের কাকা একটু বাড়িয়েই বলেছিল।
.
.রাতুলের বউ এসে এই সংবাদ খুব দ্রুতই ছড়িয়ে গেল আর লোকজনের দেখতে আসা শুরু হল।রাত প্রায় আটটা পর্যন্ত এইসবই চলল মনে হচ্ছিল আমি ভিনগ্রহের কোন প্রাণী প্রথম পৃথিবীতে এলাম তাই আমাকে একেকজনের এভাবে দুই তিনবার করে দেখতে আসা।তবে রাতুলের কাকা-কাকি আর কাকাতো বোন স্মৃতি সবাই খুব ভাল।রাতের খাবারের সময় রাতুলের মা বলল এসেছি যখন কয়েকদিন থেকে যেতে আর রাতুলকে বলল আমাকে গ্রামটা দেখাতে।
.
.আমি ইচ্ছাকৃতভাবেই রিমার আর স্মৃতির ওখানে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।আসলে এখানে রুমগুলোতে একটা করেই খাট ছিল আর আলাদা কোন ব্যবস্থা ছিলনা থাকার।রাতুল আর আমাকে এইখাটে ঘুমাতে হত যা আমার দ্বারা সম্ভব ছিলনা।যদিও আমাদের বিয়ের দুমাস কেটে গেছে তবুও আমাদের মাঝে দূরত্বটা এখনও আছে।
.
.খুব সকালে ঘুম ভাঙ্গল।তাকিয়ে দেখি আমি আর রাতুল একখাটে আর রাতুল আমার হাতটা ধরে আছে।আমার মাথায় আসছেনা আমি এখানে রাতুলের সাথে কিভাবে?আমিতো রিমা আর স্মৃতির রুমে ইচ্ছে করেই আগে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।তবে?আর রুমটা ঠিকই আছে কিন্তু রাতুল এখানে কিভাবে?অন্যসময় হলে রাগে উল্টা-পাল্টা কিছু একটা করে বসতাম রাতুলকে কষ্ট দেয়ার জন্য কিন্তু আজ কেন জানি তেমন কিছু করতে পারছিনা।রাতুলের ঘুমন্ত চেহারা এত কাছ থেকে এভাবে আগে কখনও দেখা হয়নি।কাউকে মারতে যার এতটুকু দ্বিধা হয়না তার চেহার এত স্নিগ্ধ হয় কিভাবে?এই আমি এসব কি ভাবছি?এই লোকটার প্রতি আমার কোন অনুভূতি কাজ করার প্রশ্ন আসেনা আর এত সহজে আমি তার কৃত কাজগুলো কিভাবে ভুলে যাচ্ছি?তবে কি রাতুলের প্রতি আমার কোন নতুন অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছে?অসম্ভব।এসব আজেবাজে চিন্তা না করাই ভাল।দ্রুত রাতুলের হাত থেকে আমার হাতটা ছাড়িয়ে উঠতে যাব ঠিক তখনই আমার নাড়ায় রাতুলের ঘুম ভেঙ্গে গেল।অবাক হয়ে বলল-

রাতুলঃ কি হয়েছে?
(আসলে সে হয়ত ভেবেছে কিছু হয়েছে তাই আমি তাকে নাড়া দিয়েছি।আসলে সে যে আমার হাতটা ধরেছিল আর ওটা ছাড়াতে গিয়ে নাড়া লেগেছে তা সে বুঝতে পারেনি)

আমিঃ আপনি এখানে কেন? আমিতো…

রাতুলঃ sorry আসলে কাল রাতে সবাই…

আমিঃ থাক আর বলার দরকার নেই।

রাতুলঃ তুমি ফ্রেশ হও তারপর আমরা বের হব।

আমিঃ বের হব মানে?

রাতুলঃ কালরাতে মা বলল না তোমাকে গ্রামটা দেখাতে তাই আজ তোমাকে গ্রাম দেখতে নিয়ে যাব।

আমিঃ এত সকালে আমি যাবনা।কিছু দেখা যাচ্ছেনা পরে কোন বিপদ হলে বাঁচানোর কেউ থাকবেনা।

রাতুলঃ হা হা হা।চিন্তা নেই আমি থাকতে তোমার দিকে কেউ হাতও বাড়াতে পারবেনা।

আমিঃ আমি একা আপনার সাথে যাবনা রিমা,স্মৃতি ওদেরকে নিয়ে যাব।

রাতুলঃ ওরা যাবেনা আমাদের সাথে।

আমিঃ কেন যাবেনা?

রাতুলঃ তা বুঝার জন্য তুমি এখনও ছোট।যাও দেখবে ভালই লাগবে আর এতটাও খারাপ আমি না তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
.
.রাতুল ঠিকই বলেছিল রিমা আর স্মৃতি কেউ আমাদের সাথে আসেনি তাই আমরা দুজনেই বের হই গ্রাম দেখতে।দুজন পাশাপাশি হাঁটছি।আসলেই খারাপ লাগছেনা।

শীতের সকালে সবুজ ঘাসের উপর বিন্দু বিন্দু শিশির কণা জমা হয়ে আছে।আহা!কি ভালোই না লাগছে এই শিশিরে ভেজা সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে খালি পায়ে হাঁটতে!অন্যরকম একটা অনুভুতি কাজ করছে আজ।এটা একটা আলাদা অনুভূতি যা এর আগে কখনও হয়নি।চারিদিকে সবুজ ঘাসগুলোর উপর শিশিরের হালকা পানি ঘাসগুলোকে আরো বেশি সতেজ করে তুলেছে।খালি পায়ে এই ঘাসের উপর হাঁটার সময় শিশিরের এই বিন্দু বিন্দু পানিতে পা ধুয়ে যাচ্ছে।চারপাশের হালকা কুয়াশায় সব সাদা দেখা যাচ্ছে।আজ তার দৃষ্টিতে অন্য এক আমাকে আবিষ্কার করছি।কি দেখছে ওই এমন করে আমার দিকে?জানিনা। তবে সে এক অদ্ভুত চাহনি!সে চাহনিতে কেমন যেন নেশা লেগে যায়।না।আর এভাবে তাকিয়ে থাকা সম্ভব না।বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকলে হয়ত আমি সেই নেশায় মগ্ন হয়ে কোন এক অতলে হারিয়ে যাবো আর যেখান থেকে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার কোন কিনারাও হয়ত খুঁজে পাবোনা।তার চোখ দেখে মনে হচ্ছে সে আমাকে অনেককিছু বলতে চাচ্ছে।আসলেই কি সে কিছু বলতে চায় আমাকে যা আমি হয়ত বুঝতে পারছি না?জানিনা আর আমি জানতেও চাই না।কারন জানতে গেলেই সমস্যা।আমি আর কোন সমস্যায় জড়াতে চাইনা।তার থেকে ভালো আমি যেমন আছি তেমনই থাকি।

হঠাৎ একটা কল এল।তাকিয়ে দেখি নাহিদ ভাই

নাহিদ ভাইঃ কেমন আছো নীলা?

আমিঃ ভাল আছি ভাই।আপনি কেমন আছেন?

নাহিদ ভাইঃ এইতো আছি আরকি।তোমাদের খুব মিস করছি।কাকিমা কেমন আছে?

আমিঃ মা মোটামুটি ভালই আছে ভয়ের কিছু নেই।আপনি চলে আসেন না তারপর একসাথে চলে যাব।

নাহিদ ভাইঃ না নীলা।তোমরা কবে আসবে?

আমিঃ কালতো এলাম আর মা বলছিল কয়েকদিন থেকতে।আরে ভাই আপনি চলে আসেন না।

নাহিদ ভাইঃ এতদিন থাকতে হবেনা চলে আস।কি করছ এখন?

আমিঃ গ্রাম দেখতে বের হয়ছি।

নাহিদ ভাইঃ রাতুল ভাই কই?

আমিঃ আমার সাথেই।

নাহিদ ভাইঃ সাথে আর কে?তুমি কি রাতুল ভাইয়ের সাথে একা বের হয়েছ?

আমিঃ জ্বী।

নাহিদ ভাইঃ তবেতো ডিস্টার্ব করলাম।আসলে খুব মিস করছিলাম তাই ফোন দিলাম।রাখি

আমিঃ ভাই আপনিও চলে আসেন না সত্যি খুব ভাল লাগবে।

নাহিদ ভাইঃ ভাল লাগবে তা আমিও জানি কিন্তু আমার যাওয়াটা ভাল দেখায় না তাছাড়া রাতুল ভাই যদি বলত তবে অন্য কথা ছিল।নীলা তুমি কিন্তু আবার ভাইকে এসব বলতে যেওনা।

আমিঃ আচ্ছা।আপনি আমার ভাই তাই আমি যখন বলেছি তখন আপনি আসবেন।আচ্ছা দাঁড়ান।

রাতুল আপনি একটু নাহিদ ভাইকে বলুন না যেন এখানে চলে আসে।

রাতুলঃ আমি কি বলব?তুমিই বল।

আমিঃ না মানে আপনি বললে নাহিদ ভাই আসবে আমার বলাতে তো আসছেনা।

রাতুলঃ ওই কি তেমন কিছু বলেছে আর তোমার বলাতে না আসলে আমি বলাতে আসবে কেন?

আমিঃ এতকথা না বলে এই নিন কথা বলুন আর আসতে বলুন।
.
.তারপর রাতুল বেশ বিরক্ত হয়েই নাহিদ ভাইয়ের সাথে কথা বলল বুঝতে পারলাম।কিন্তু নাহিদ ভাইয়ের প্রতি রাতুলের এই বিরক্তির মানে বুঝতে পারলাম না কারন নাহিদ ভাই তার ছোট ভাইয়ের মত আর আমার কাছেও সে বড় ভাই ব্যতীত আর কিছু নয়।নাহিদ ভাই এইযে দিনের পর দিন আমাদের বাসায় এসে গল্প করেছে কোনদিনতো রাতুলকে বিরক্ত হতে দেখিনি তবে আজ কেন?

তারপর আর আমাদের বেড়ানো হয়নি আমরা বাড়িতে চলে আসি আর ঘন্টা চার পরে নাহিদ ভাইও চলে আসে।তারপর সবাই মিলে গল্প করছি কিন্তু রাতুল একটু দূরে বসে আছে।সবাই গল্প করছি এমন সময় রাতুলের ফুপু আর ফুপাতো বোন দিয়া এল।দুজনেই খুব অদ্ভুত।কারন দুজনের কেউই আমার সাথে ভালভাবে কথা বলেনি।
.
.বিকেলে আমি আর নাহিদ ভাই বারান্ধায় বসে গল্প করছিলাম হঠাৎ দেখি দিয়া রাতুলের হাত ধরে পুকুর পাড়ে নিয়ে যাচ্ছে।বিষটা বেশ অদ্ভুত ছিল কারন আমি রিমাকেও কখন রাতোলের হাত ধরে কথা বলতে দেখিনি।আর দিয়া অনায়াসে রাতুলের হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল আর রাতুলের কোন বাধা ছিলনা।আমি দেখছিলাম তাকিয়ে কি হচ্ছে সেটা বুঝার জন্য।একটু পর দেখলাম রাতুল দিয়ার দুইগালে হাত দিয়ে ওর চোখের পানি মুছিয়ে দিচ্ছে।

নাহিদ ভাইঃ আরে নীলা আমি গল্প করে যাচ্ছি তুমি সেই কখন থেকে ঐদিকে তাকিয়ে আছো কি দেখছ?আরে রাতুল আর দিয়া না কিন্তু ওখানে কি করছে?

আমিঃ ভাই কি চোখে কম দেখেন?দেখতেই তো পাচ্ছেন কি সুন্দর রোমান্স চলছে।

নাহিদ ভাইঃ আরে তুমি যা ভাবছ ওসব কিছুনা দিয়া কাঁদছে মনে হয় তাই ভাই..

আমিঃ আমি ছোট তাই বলে এতটাও ছোট না যে কি চলছে তা দেখে বুঝতে পারবনা আর তাদের মাঝে কোন ভাই-বোনের সম্পর্ক চলছেনা কারন রিমাকে কখনও আমি রাতুলের হাত ধরে টানতে দেখিনি।তার যদি দিয়াকেই এত ভাল লাগে তবে ওরে বিয়ে না করে আমার সাথে এত নাটক কেন করল?

নাহিদ ভাইঃ তুমি ভুল বুঝতেছ।যদিও দিয়া ভাইয়ের..

আমিঃ দিয়া ভাইয়ের কি?

নাহিদ ভাইঃ ফুপাতো বোন।

আমিঃ আপনি অন্য কথা বলতে চেয়েছিলেন একন কথা পাল্টাচ্ছেন।সত্যিটা বলুন ভাই আপনিও আমার সাথে মিথ্যা অভিনয় করবেন না।

নাহিদ ভাইঃ আসলে দিয়া ভাইকে পাগলের মত ভালবাসে আর একসময় আমিও জানতাম ভাইয়ের সাথেই দিয়ার বিয়ে হবে কারন ভাইয়ের অন্য কোন মেয়ের প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিলনা।কিন্তু হঠাৎ করেই ভাই তোমাকে বিয়ে করল আসলে ভাই হয়ত বা তোমাকে ভালবাসে দিয়াকে না।

আমিঃ চোখের সামনে এসব দেখার পরও আপনি আমাকে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন যে সে আমাকে ভালবাসে আপনাকে না আমি ভাই বলে মানি?আচ্ছা ভাই সত্যি করে একটা কথা বলবেন সে যদি দিয়াকেই ভালবাসে তবে আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট কেন করল আমি তার কি ক্ষতি করেছিলাম?

নাহিদ ভাইঃ তোমার প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই।

আমিঃ কিন্তু আমি সব বুঝে গেছি।এর জন্যেই ফুপু আর দিয়া আমার সাথে ঠিকভাবে কথা বলেনি।
.
.রাতে না খেয়ে শুয়ে পড়লাম।আসলে আমি রাতুলের সাথে আমার বিয়েটা মানিনা ঠিক আছে তবুও আজ কেন জানি দিয়ার সাথে রাতুলকে দেখে আমার খুব রাগ হয়েছে।কেন জানি আমি এসব সহ্য করতে পারছিনা।শুয়ে ভালছিলাম কেন আমার জীবনটা এমন হল আর কেন রাতুল আমার সাথে এমন করল?যদি তার দিয়াকেই ভাল লাগত তবে আমার জীবন দিয়ে কেন এই খেলা খেলল?কি দোষ ছিল আমার?হঠাৎ রুমে কেউ ঢুকার শব্দ তারমানে রাতুল রুমে এল।

রাতুলঃ নীলা এই নীলা শুনছ?

আমিঃ (,,,)

রাতুলঃ আমি জানি তুমি ঘুমাওনি।এইদিকে তাকাও নয়ত আমি কিন্তু জোর করে এইদিকে ঘুরাবো।

আমিঃ আমার গায়ে হাত দেয়ার কথা চিন্তাও করবেন না খুব খারাপ হয়ে যাবে বলে দিচ্ছি।

রাতুলঃ কি ব্যাপার এভাবে রেগে কথা বলছ কেন আর তুমি না খেয়ে শুয়ে পড়েছ যে শরীর ঠিক আছেতো?

আমিঃ আমার চিন্তা আমি করতে পারব আপনাকে করতে হবেনা।আর আমি না খেলে আপনার কি?আপনি আপনারটা খেয়ে নিন।

রাতুলঃ তুমি না খেলে আমি কিভাবে খাব?উঠ খাবার নিয়ে এসেছি দুজনে মিলে খেয়ে নিই।

আমিঃ আমার সাথে একদম ন্যাকামি করতে আসবেন না।খেয়ে ইচ্ছে হলে খেয়ে নিন।আমি খাবনা।

রাতুলঃ এই কি হয়ছে তোমার জ্বর-টর আবার আসেনিতো।দেখি..

(দেখি বলে যেই আমার কপালে হাতটা রাখল আমি এক ঝাটকায় হাতটা সরিয়ে উঠে বসলাম)

আমিঃ আপনার সাহস হয় কিভাবে আমাকে স্পর্শ করার?বলেছি না আমাকে স্পর্শ করবেন না কি ভেবেছেন আমাকে?

রাতুলঃ আস্তে বল নীলা সবাই শুনতে পাবে।

আমিঃ সবাই শুনতে পাবে নাকি আপনার প্রেমিকা শুনতে পাবে?

রাতুলঃ এসব কি বলছ আর কার কথা বলছ তুমি?

আমিঃ কেন কয়টা মেয়ের সাথে প্রেমের অভিনয় করে যাচ্ছেন যে এখন বুঝতেই পারছেন না আমি কার কথা বলছি?

রাতুলঃ আমি কারও সাথে কোন অভিনয় করিনি।

আমিঃ ওমা তাই বুঝি?তবেতো আপনি আসলেই জিনিয়াস অভিনয় না করেই এতকিছু?

রাতুলঃ আরে কি বলছ তুমি এসব আমার মাথায় কিছুই ঢুকছেনা?কি করেছি আমি তাতো বলবে নাকি?

আমিঃ যদি অন্য কারো সাথেই যদি সম্পর্ক ছিল তবে আমার জীবন নিয়ে কেন এই জঘন্য খেলাটা খেললেন?

রাতুলঃ পরিষ্কার করে বলনা কি বলতে চাও তুমি আর কার সাথে সম্পর্কের কথা বলছ?

আমিঃ যাকে হাত ধরার অধিকার দিয়েছেন আর যে আপনাকে স্পর্শ করার অধিকার দিয়েছে আমি তার কথাই বলছি।এখনও বুঝতে পারেননি নাকি আরো পরিষ্কার করে বলব।
(চলবে)



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*