Home Login Register

Naw Story Will Update Regularly......

অবহেলিত জীবন [7th পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / Story / অবহেলিত জীবন [7th পর্ব]

Admin › 3 weeks ago

লেখকঃ মেহেদী হাসান

আমি চাদপুর শহরে ট্রেন থেকে নেমে সোজা হেটে চলে যাচ্ছি ৷ কোন নির্দিষ্ট জাইগা নেই যাওয়ার ৷ আনমনে একভাবে পথ হেটে চলে যাচ্ছি ৷ খুব কান্না পাচ্ছে আমার পাগলিটা সকালে আমাকে না দেখে হয়তো কান্না কাটি শুরু করে দিছে ৷ খুব খারাফ লাগছে রিয়া কে ছাড়া ৷ এভাবে হাটতে হাটতে হঠাং খেয়াল করি একটা বাচ্চা মেয়ে খেলতে খেলতে রাস্তার উপর চলে আসছে ৷ আশে পাশে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই ৷ আর সামনে প্রচন্ড গতিতে একটা ট্রাক আসছে ৷ আমি তাড়াতাড়ি দৌড়ে মেয়েটার দিকে গেলাম ৷ আমি বাচ্চা টাকে কোলে নিয়ে দ্রত সরে গেলাম ৷ কিন্তু আমি বাচ্চা টাকে নিয়ে সরে যেতে অপর পাশ থেকে আসা এক সিনজি এর সাথে ধাক্কা লাগে ৷ আর আমার মাথায় একটু বাড়ি লেগে মাথাটা কেটে যায় ৷ কিন্তু বাচ্চাটার কিছু হয় নি ৷ কিছুক্ষন পর একটা মহিলা অনিকা অনিকা বলে চিৎকার করে দৌড়ে আসছে ৷ মনে হয় এই বাচ্চাটার মা ইনি ৷ তিনি দৌড়ে এসে বাচ্চাটাকে আমার কোল থেকে নিয়ে কান্না করতে থাকলো ৷ তারপর আমার কাছে এসে বলল বাবা তোমার তো অনেক কেটে গেছে চল হাসপাতালে যায় তোমাকে আগে টিট্টমেন্ট করে আসি ৷ তোমাকে যে কি বলে ধন্যবাদ দেব বাবা ৷ তোমার কাছে যে আমি চির কৃতঙ্গ রয়ে গেলাম ৷ আমিঃ না আন্টি এখানে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই ৷ আর হাসপাতালে নিতে হবে না ৷ এটুকু আঘাতে আমার কিছু হবেনা ৷ এর থেকে বড় আঘাত আমার সহ্য করা আছে ৷ তাই কিছু হবে না আমার দুইদিন পরে সব ঠিক হয়ে যাবে ৷ আন্টিঃ চুপ কোন কথা বলবেনা আমি যা বলছি তাই হবে ৷ চুপচাপ চল আমার সাথে ৷ আর এর থেকে বড় আঘাত সহ্য করছো মানে ৷ আর তোমার শরীরে এমন দাগ কেন ৷ মনে হচ্ছে কেউ তোমাকে খুব মারছে ৷ আমিঃ না কিছু হয় নি আন্টি এমনি সব ঠিক হয়ে যাবে ৷ আন্টিঃ চুপ কোন কথা না চল আমার সাথে ৷ তারপর আন্টি আমাকে জোর করে গাড়িতে বসে নিয়ে চলে গেল হাসপাতালে ৷ আমাকে ডাক্তার মাথায় কিছু ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিল ৷ আন্টিঃ ডাক্তার সাহেব আমি কি এখন ওকে নিয়ে যেতে পারি ৷ ডাক্তারঃ হুমমম কিন্তু এই ছেলে কে হয় আপনার ৷ আর এই ছেলের শরীরে প্রচন্ড মারের দাগ রয়েছে ৷ মনে হয় কেউ তাকে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে মারছে ৷ আমি কিছু ঔষুধ লিখে দিচ্ছি ৷ আপনি সময় মত তাকে খাইয়ে দেবেন ৷ তারপর ডাক্তার চলে গেল আর আন্টি বিল পেমেন্ট করে আমাকে নিয়ে গাড়িতে করে চলে আসলো ৷ গাড়ি থামল একটা দোতালা বাড়ির সামনে ৷ বাড়িটা খুব সুন্দর মনে হয় বেশ ধনী পরিবার এরা ৷ বাড়ির মধ্যে ডুকে আমাকে বাথরুম দেখিয়ে দিলআর ফ্রেশ হয়ে নিতে বলল ৷ আমি ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি আন্টি খাবার টেবিলে খাবার নিয়ে বসে আছে ৷ সত্যি বলতে কি আমিও কিছু খাইনি কাল রাত থেকে তাই খুহ ক্ষুদা লেগেছিল ৷ আমি খাবার খেয়ে উঠতে যাব তখন আন্টি বলল ৷ আন্টিঃ বাবা তোমার নাম কি ৷ আমিঃ মেহেদী হাসান আন্টিঃ একটা কথা বলব তুমি যদি কিছু মনে না কর ৷ আমিঃ না আপনি বলেন এতে আবার অনুমতি নিচ্ছেন কেন ৷ আন্টিঃ তোমার শরীরে এমন আঘাতের দাগ কেন বলবে আমায় ৷ আমি আন্টির কথা শুনে মাথা নিচু করে ফেললাম ৷ আন্টিঃ কি হল বলবেনা যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে বলার দরকার নেই ৷ না আন্টি কোন সমস্যা নেই তারপর আমার জীবনের যা কিছু ঘটে গেছে সব বললাম ৷ আর আমার চোখ দিয়ে অধর ধারাই পানি পড়তে লাগলো ৷ আন্টির দিকে তাকিয়ে দেখি আন্টি ও কান্না করছে ৷ আমিঃ আপনি কান্না করছেন কেন আমার জীবন টায় এরকম সবই আমার কপালের লিখন ৷ আন্টিঃ তুমি এই বয়সে এত অত্যচার আর অবহেলা সহ্য করছো ৷ তোমার মা বাবা খুব অন্যায় করেছে তোমার সাথে ৷ তোমার এখানে অন্যায় আছে কিনা না দেখে তোমার উপর এমন অত্যচার কীভাবে করলো ৷ আমিঃ মা বাবা যা করে সন্তানের জন্য ভালই করে ৷ সবই আমার কপাল এখানে কারো দোষ দেব না আমি ৷ আন্টিঃ তোমার মত ছেলে পাওয়া ভাগ্যোর ব্যাপার ৷ তা বল এখানে কার বাড়ি উঠেছো ৷ এখানে কোন আত্বীয় আছে ৷ আমিঃ না কেউ নেই এখানে থাকবো কোথাও রাস্তায় এমনি আর এ জীবন রেখে কি হবে ৷ যদি চলে না আসতাম বাড়ি থেকে ৷ তাহলে হয়তো এতোদিন এমনি মরে পড়ে থাকতাম রুমে ৷ আন্টিঃ চুপ একদম চুপ আর কোনদিন মরার কথা বলবেনা ৷ আর তুমি আজ থেকে এ বাড়িতে থাকবে ৷ আর আমাকে মা বলে ডাকবে আর অনিকা আজ থেকে তোমার বোন ৷ রিয়া কে যেভাবে ভালবাসতে সেভাবে অনিকাকে ভালবাসবে ৷ আমিঃ কিন্তু কীভাবে ……… আন্টিঃ কোন কিন্তু না তুমি আজ থেকে এবাড়িতে থাকবে আর তুমি আবার পড়াশুনা করবে ৷ তারপর আন্টি আমাকে একটা রুম দেখিয়ে দিল ৷ আমি রুমে শুয়ে আছি ৷ কিছুক্ষন পর অন্টির মেয়ে অনিকা আসলো রুমে ৷ আস্তে হেটে বিছানায় উঠে আমার পেটের উপর বসে পড়ল ৷ তুমি কি আমার ভাইয়া আম্মু বলল তুমি আমার আজ থেকে ভাল ভাইয়া ৷ অনিকার কথা শুনে রিয়ার কথা মনে পড়ে গেল ৷ চোখ দিয়ে পানি ঝড়তে লাগলো ৷ অনিকাঃ ভাইয়া কি হল তুমি কাদছো কেন আম্মু বলল যে তুমি আমার ভাল ভাইয়া তাহলে তুমি কেন কান্না করছো ৷ আমিঃ না আপু কান্না করছি না ৷ আমি তো তোমার ভাল ভাইয়া তাই আর কান্না করব না ৷ 【 গালে একটা পাপ্পি দিয়ে】 তারপর অনিকা আমার পাশে শুয়ে পড়ল ৷ তারপর শরীর ক্লান্ত থাকায় আমি ঘুমিয়ে পড়লাম ৷ হঠাং করে নাকে কিছু সুরসুরি কারনে ঘুমটা ভেঙে গেল ৷ তাকিয়ে দেখি অনিকা আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে ৷ অনিকা একদম রিয়ার মত হাসে ৷ খুব মনে পড়ছে পাগলিটার কথা ৷ তারপর অনিকার সাথে একটু দুষ্টামি করলাম ৷ কিছুক্ষন পর আন্টি রাতের খাবারের জন্য ডাক দিল ৷ আমি অনিকাকে কোলে নিয়ে খাবার ডেবিলে গেলাম ৷ আচ্ছা আন্টি আংকেল তো দেখছিনা কোথায় থাকে আংকেল ৷ আন্টিঃ আর একবার আন্টি বললে কিন্তু যেখান থেকে নিয়ে এসেছিলাম সেখানে দিয়ে আসব ৷ আর অনিকার বাবা পুলিশের চাকরি করে ফোন দিয়েছি এখনি চলে আসবে ৷ আর হবে না মা ৷ তারপর খাবার খেতে লাগলাম আর মা আমাকে খাবার বেড়ে দিচ্ছে ৷ হঠাং করে মায়েরকথা মনে পড়ে গেল ৷ আমি খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিয়ে খাবারের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি ৷ মাঃ কি হল খাবার খাচ্ছ না কেন ৷ আমিঃ না মানে বাড়িতে যে কতদিন একসাথে মা বাবার সাথে খাবার খাইনি ঠিক মনে পড়ছেনা ৷ আন্টিঃ এখানে মন খারাফ করছো কেন আমি তো আছি ৷ এখন থেকে আর আর মন খারাফ করবে না ৷ আস এদিকে আস আমি খাইয়ে দিচ্ছি ৷ তারপর মা আমাকে আর অনিকা কে নিজের হাতে খাইয়ে দিল ৷ অনেক ভাল লাগছে অনেক দিন পর মায়ের হাতে ভাত খাচ্ছি ৷ পৃথীবি কত নিষ্টুর যেখানে নিজের মা বাবার কাছ থেকে অবহেলা আর অপমান ছাড়া কিছু পাইনি ৷ আর এখানে নিজের মা না হওয়া সত্বেও কত ভালবাসে আমাকে ৷ কিছুক্ষন পর অনিকার বাবা আসলো আর আমাকে দেখে বলল ৷ তাহলে তুমি মেহেদী হাসান ৷ তোমার প্রতি আমরা চির কৃতজ্ঞ থাকব বাবা ৷ আমিঃ কি বলছেন আংকেল বাবা কোনদিন ছেলের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকেনা ৷ আর অনিকা তো আমার বোনের মত ৷ আংকেলঃ হুমমম অনিকার মা সব বলেছে আমাকে ৷ তুমি সুস্থ হয়ে নেও তারপর তোমাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেব আর আজ থেকে তুমি এ বাড়ির ছেলে ৷ মনে থাকবে তো যখন যা লাগে বলবে তোমার মাকে সব পেয়ে যাবে তুমি ৷ এভাবে আমি ssc পরীক্ষা দিলাম ৷ মা আমাকে প্রচন্ড ভালবাসে ৷ আর আংকেল আমাকে তার নিজের ছেলের মত ভালবাসে ৷ আর অনিকা আমাকে তার আপন ভাইয়ের মত ভালবাসে ৷ এভাবে আরো কয়টি বছর পার হয়ে গেল ৷ আমি আজ পুলিশ চাকরির জন্য এপ্লাই করেছি তাই পুলিশ লাইনে দাড়িয়ে আছি ৷ অবশ্য আংকেল আমাকে পুলিশে লাইনে দাড়াতে সাহায্য করেছে ৷ আর পুলিশের চাকরি টা হয়ে গেল আংকেলের জন্য ৷ তারপর S I পদে চাকরি টা হয়ে গেল ৷ তারপর আংকেলের সাহায্য নিয়ে ট্রান্সফর নিয়ে এখানে নিজের শহরে চলে আসি ৷ নিজের শহরে চলে আসার সময় মা অনিকা আর আংকেল অনেক কান্না করেছে ৷ বিশেষ করে মা আর অনিকা আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করেছে ৷ আমারো আসতে ইচ্ছা করছিল না ৷ কিন্ত আমার পাগলি বোনটাকে অনেক দিন দেখিনি ৷ তাই এই শহরে চলে আসলাম ৷ \ \ \ \ \ \ এবার ভবিৎষতে চলে আসা যাক ৷ পুরানো কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি জানিনা ৷ সকালে হঠাং করে দড়জার নক করার শব্দে ঘুম ভেঙে গেল ৷ আমি দড়জা খুলে দেখি পাগলি বোন টা দাড়িয়ে আছে ৷ আমিঃ কি ব্যাপার আপু এত সকালে এখানে কি করা হচ্ছে ৷ রিয়াঃ তুমি খুব খারাফ ভাইয়া তোমাকে কতদিন পর পেয়েছি ৷ আর তুমি আমার কোন খোজ নেওনা ৷ যদি আমাকে তুমি ভালবাসতে তাহলে আমাকে দেখার জন্য আমার কাছে চলে আসতে ৷ আমিঃ ওরে আমার পিচ্চি বোনটি তোমাকে কি ভুলে থাকা যাই বল তুমি তো আমার কলিজার টুকরা তোকে ছাড়া থাকতে আমারো যে খুব কষ্ট হয় রে পাগলি ৷ রিয়াঃ থাক আর দরদ দেখাতে হবে না তুই আমাকে কতটুকু ভালবাসিস আমার জানা আছে ৷ এখন চল আমার খুব ক্ষুদা পেয়েছে চল কিছু খাব ৷ আমিঃ হুমমমম একটু বস আমি ফ্রেশ হয়ে আসি ৷ তুই ভিতরে গিয়ে বস ৷ আমি আসছি ৷ তারপর আমি ফ্রেশ হতে গেলাম ৷ ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি পাগলিটা আমার রুমের নকশা পাল্টায়ে ফেলে দিছে ৷ সুন্দর করে গুছিয়ে ফেলছে রুম টা ৷ তারপর নাস্তা করে রিয়াকে কলেজে নামিয়ে দিতে আসলাম ৷ তখন রিয়ার কিছু বান্ধবী আসলো আমাদের কাছে ৷ রিয়া সবার সাথে আমার পরিচয় করে দিল ৷ তারপর সবাই ক্লাসে চলে যাওয়ার জন্য চলে যেতে লাগলো তখন রিয়ার এক বান্ধবী আমার কাছে আবার আসলো ৷ আসলে ভাইয়া আপনার সাথে একটা কথা আছে ৷ আমিঃ হুমমম বল কি বলবা ৷ রিয়ার বান্ধবীঃ চলেন ওই ক্যানটিনে বসে বসে কথা বলি ৷ তারপর ক্যান্টিনে এসে দুইটা কফি আর্ডার করলাম ৷ তারপর রিয়ার বান্ধবী বলতে লাগলো ৷ রিয়ার বান্ধবীঃ আমি যখন কলেজে আসি তখন আমাদের গ্রামের পাশে কিছু ছেলে আমাকে প্রতিদিন খারাফ ভাষায় কথা বলে ৷ একদিন শরীরে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছে ৷ আপনি তো পুলিশ কিছু করেন ভাইয়া ৷ আমিঃ আচ্ছা কাল সকালে তুমি যখন কলেজে আসবা তখন আমাকে ফোন দেবা ৷ ৷ তারপর আমি নাম্বার দিয়ে চলে আসতে যাব তখন দেখি ৷ রিমি আমাদের দিকে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ৷ আমি রিমি কে পাশ কাটিয়ে চলে আসতে যাব তখন রিমি বলল ৷ রিমিঃ কি ব্যাপার তুমি ওই মেয়ের সাথে এতক্ষন কি কথা বলছিলা ৷ আর তুমি ওর নাম্বার কেন দিলা ৷ 【রাগূ সুরে বলল】 আমিঃ আমি যার সাথে কথা বলিনা কেন তাতে আপনার কি ৷ আমার ইচ্ছা যার সাথে কথা বলব তাতে আপনার কি আমিতো কিছুই বুঝতে পারছিনা ৷ রিমিঃ কারন তোমাকে যে আমি ভালবাসি ৷ অনেক ভালবাসি তোমাকে ৷ আর তোমার জন্য আমি এতোদিন অপেক্ষা করেছি শুধু তোমার জন্য ৷ তুমি চলে যাওয়ার পর তোমার বন্ধু শকিল আমাকে সব বলেছে ৷ তুমি জীবনে এতটা কষ্ট করেছে আমি জানিনা ৷ তারপর তোমার অনুপ্স্থিতে আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলি ৷ আমিঃ হা হা হা এসব ফালতু কথা বাদ দিন ৷ আপনার মত মেয়েকে ভালবাসবো তাও আবার আমি ৷ সরে জান সমনে থেকে আমার কাজ আছে ৷ তারপর আমাদের কাছে রিয়া আসলো ৷ রিয়াঃ কি ব্যাপার ভাইয়া তুই এই অহংকারি মেয়ের সাথে কথা বলছিস কেন ৷ তোর মনে নেই এই মেয়ের জন্য তোকে কতটা কষ্ট সহ্য কতে হয়েছে ৷ আমি আর কোন মেয়ের জন্য কোরে হারাতে পারব না ভাইয়া ৷ আর আপনি আমার ভাইয়ার আশে পাশে যেন না দেখি ৷ তাই বলে রিয়া আমাকে টানতে টানতে নিয়ে চলে আসলো ৷ …………………চলবে……………………

About Author


Administrator
Total Post: [356]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy