অবহেলিত জীবন [৯ম পর্ব]

লেখকঃ মেহেদী হাসান

\"\"

এখন আর তোমাদের ভালবাসার কোন দরকার নেই ৷ আমার সাথে যার কোন রক্তের সম্পর্ক নেই তারা আমাকে নিজের সন্তানের চাইতেও বেশি ভালবেসেছে ৷ নিজের সন্তানের মত আদর যত্ন করেছে ৷ আর কোনদিন এ বাড়িতে আসবনা এবার ভুল করে চলে এসেছি ৷ মাপ করে দেন এবারের মত ৷ তাই বলে কান্না করতে করতে বাইরে চলে আসলাম ৷ হঠাং করে আমার সেজেআম্মুর কথা মনে পড়ে গেল ৷ আমি বাইক টা একপাশে রেখে সেজেআম্মুর কাছে গেলাম ৷ সেজে আম্মু আমাকে দেখে অনেক খুশি হয়েছে ৷ আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল ৷ কারন সেজেআম্মুর কোন সন্তান নেই তাই আমাকে খুব ভালবাসতো ৷ তারপর কিছুক্ষন কথা বলে চলে আসলাম ৷ তারপর বাসাই চলে আসলাম আর আজকের সব ঘটনা আমার মা মানে আন্টিকে সব ফোনে বলে দিলাম ৷ আন্টি আমাকে রিতিমত বকা শুরু করে দিছে ৷ কেন আমি মায়ের সাথে খারাফ ব্যবহার করলাম ৷ আমিঃ কি করব মা আমার মনের ভিতর যে অনেক অভীমান জমে আছে তাদের জন্য ৷ আমি চাইলেও তাদের কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছা করেনা ৷ পুরানো কথা মনে পড়লে যে আমার ভীষন রাগ হয় ৷ আন্টিঃ তোমার মনের অবস্থা টা আমি বুঝতে পারছি বাবা কিন্তু তারা তো তোমার অাপন মা বাবা তারাই তোমার পরিবার তুমি তাদের কে কষ্ট দিও না বাবা ৷ আমিঃ না মা তারা আমার কেউ হয় না আমার পরিবার শুধু তোমরা ৷ তারা আমার কোন অপজন হয় না ৷ শুধু আমার কলিজার টুকরা রিয়া আমার আপনজন আর তোমরা তাছাড়া আর কেউ না ৷ তুমি আমার মা তাছাড়া আর কেউ আমার মা হতে পারেনা ৷ অন্টিঃ ঠিক আছে বাবা পাগল ছেলে একটা ৷ এখন রাখছি তুই ঠিকমত নিজের খেয়াল রাখিস বাবা ৷ আজ অফিস বন্ধ তাই আমার প্রিয় বন্ধু শাকিল কে ফোন দিয়ে আসতে বললাম ৷ অনেকদিন আড্ডা দেওয়া হয়নি ৷ তাই আড্ডা দিতে চলে গেলাম আমাদের পুরানো জাইগায় ৷ শাকিলঃ দোস্ত তুই যাই বলিস তুই চলে যাওয়ার পর রিমি প্রায় প্রতিদিন আমার কাছে শুনতো যে তুই কোথায় আছিস কবে আসবি ৷ আর আমার সামনে কান্না করত প্রতিদিন ৷ আর রিমি এপ্রর্যন্ত বিয়ে করেনি ৷ অনেক ভাল ভাল জাইগা থেকে সম্বন্ধ এসেছিল কিন্তু রিমি রাজি হয় নি ৷ মেয়েটা তোকে সত্যি অনেক ভালবাসে রে ৷ আমিঃ দেখ দোস্ত তুই ভাল করেই জানিস 11 বছর সেই আগের কথা ৷ শুধু এই মেয়ের একটু জেদের কারনে বাবা আমাকে রাস্তার কুকুরের মত পিটালো ৷ এই বদমেজাজি মেয়ের জন্য আমার জীবন থেকে 11 টা বছর হারিয়ে গেছে ৷ 11 টা বছর আমার পিচ্ছি বোনটা কষ্ট পেয়েছে ৷ তারপরেও তুই কেন ওই মেয়ের কথা বলছিস ৷ শাকিলঃ সে তো আর জানতনা যে তোর জীবনে এমন কিছু চলছে যা তুই অপমান আর অবহেলায় জড়িয়ে আছে তোর দীবন ৷ যদি সে জানতো তোর জীবনটা এমন কষ্টময় তাহলে কোনদিন তোর সাথে বাজে ব্যবহার করত না ৷ আমি যেদিন বলেছিলাম তোর জীবনের কথা গুলো ৷ সেদিন রিমি অনেক কান্না করেছিল ৷ আর তোকে শুধু খুজে বেরাচ্ছিল ৷ আমিঃ দোস্ত এসব কথা বাদ দে ৷ এখন আমার মুড ভাল আছে ৷ প্লিজ ওই মেয়ের কথা বলে আমার মুডটা নষ্ট করিস না ৷ শাকিলঃ ঠিক আছে তোর লাইফ তোর ডিসিশন ৷ আমিঃ তা লেখাপড়া করে বসে আছিস কেন কোন চাকরি কর ৷ শাকিল৷ আমাকে আর কে চাকরি দিবে ৷ চাকরি করতে মোটা অংকের ঘুষ লাগবে ৷ আর তুই তো জানিস আর ফ্যামিলির অবস্থা ৷ আমিঃ হুমমমম জানি আচ্ছা তোর একটা চাকরির ব্যবস্থা করছি ৷ তোর সব সার্টিফিকেট গুলো কাল দিয়ে যাস আমার কাছে ৷ আর আমি গেলাম বাই ৷ তারপর সেখান থেকে চলে আসলাম আমার রুমে ৷ একা একা ভাল লাগছেনা তাই বসে বসে টিভি দেখছি ৷ হঠাং করে কলিংবেল বেজে উঠলো ৷ আমি দড়জা খুলে তো রীতিমত অবাক হয়ে গেলাম ৷ দেখি রিমি দাড়িয়ে আছে ৷ সাদা একটা ড্রেস পড়ে ৷ চোখের নিচে হালকা কালি পড়েছে ৷ চুল গুলো এলোমেলো করা ৷ অনেক সুন্দর আর মায়াবী লাগছে রিমি কে ৷ মনে হচ্ছে সারাজীবন রিমিকে বুকের মধ্যে আগলিয়ে রাখি ৷ আমিঃ কি ব্যাপার আপনি এখানে কি করছেন ৷ আর এ………… রিমি আমাকে আর কিছু বলতে না দিয়ে আমার ঠোট দুটো নিজের ঠোটের সাথে মিলিয়ে দিল ৷ টানা 2 মিনিট পর আমি রিমির কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিলাম ৷ আমিঃ এটা কি হল এখটা পর পুরুষের সাথে কিস করতে আপনার লজ্জা করেনা ৷ আর এখানে কি করছেন আপনি ৷ অপনাকে আমার সহ্য হচ্ছে না প্লিজ আপনি এখান থেকে চলে যান নইলে খুব খারাফ হবে কিন্তু ৷ রিমি কোন কথা বলছেনা শুধু চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে ৷ কি হল কথা বলেন এখানে কি করতে এসেছেন ৷ রিমি এবার আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল ৷ আর রিমির কান্না বেড়ে গেল ৷ রিমিঃ প্লিজ মেহেদী আমাকে আর কষ্ট দিও না ৷ এই 11 টা বছর আমার অনেক কষ্ট হয়েছে ৷ শুধ তোমার কথা ভেবে ৷ প্রতিটা রাতে তোমার জন্য চোখের পানিতে বালিশ ভিজাইছি ৷ তোমাকে ছাড়া আমার অনেক কষ্ট হয় ৷ মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে শেষ করে দিই ৷ এতটা অপরাধবোধ কাজ করে আনার মধ্যে ৷ প্লিজ আমাকে তুমি মাপ করে দাও ৷ কথা দিচ্ছি আর কোনদিন কষ্ট দেবনা তোমাকে ৷ 【জড়িয়ে ধরে কান্না করে বলল】 আমিঃ রিমিকে এক ঝাটকায় সরিয়ে দিলাম ৷ তোমার মত মেয়েদের আমার ভালভাবে চেনা আছে ৷ তোমরা শুধু অভীনয় করতে পার কোনদিন কাউকে ভালবাসতে পারনা ৷ আমি আবার তোমার সামনে আছি বলে তোমার সহ্য হচ্ছে না ৷ তাই আবার মিথ্যা অভীনয় করে আমাকে আবার দূড়ে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন ৷ আপনার জন্য 11 টা বছর আমি আমার পাগলি বোনের কাছ থেকে দূড়ে ছিলাম ৷ প্লিজ এবার আর অভীনয় করার দরকার নেই ৷ আপনি একবার বলেন আমি এমনি দূড়ে সরে যাব ৷ আর কোনদিন এই চেহারা আপনাকে দেখাবনা ৷ তবুও মিথ্যা অভীনয় করে আনাকে সবার চোখে দোষী তৈরি করবেন না ৷ রিমিঃ আমি আগে যা করেছি সবকিছু না জেনে করেছি ৷ প্লিজ আমাকে ভুল বুঝনা ৷ আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালবাসি ৷ তোমাকে ছাড়া যে আমি বাচবনা ৷ তোমাকে ভাবতে ভাবতে যে তুমি আমার প্রতিটা অঙ্গে মিশে গেছ ৷ প্লিজ আমাকে তুমি মাপ করে দাও ৷ 【 কান্না করে বলল】 আমিঃ হয়েছে আপনার অভিনয় করা ৷ এবার আপনি আসতে পারেন ৷ একটা ব্যাচেলার ছেলের ঘরে একটা মেয়ে দেখে সবাই খারাফ ভাববে আর আমি তো পুলিশ ৷ আমি চাইনা আমার ক্যারিয়ারে কোন দাগ লাগুক ৷ তারপর রিমির হাত ধরে দড়জার বাইরে নিয়ে ৷ আমি ভীতর থেকে দড়জা আটকিযে দিলাম ৷ এখন আর বাইরে যেতে ভাল লাগছে না ৷ তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম ৷ সকালে তাড়াতাড়ি উঠে ফ্রেশ হয়ে চলে আসলাম বাড়িতে ৷মানে রিয়ার কাছে রিয়াকে কলেজে পৌছায়ে দিতে ৷ দেখি রিয়া আমার জন্য গেটের কাছে দাড়িয়ে আছে ৷ আর মা কিছুদূড়ে আমাকে দেখার জন্য দাড়িয়ে আছে ৷ আমি রিয়া কে নিয়ে যেই চলে আসতে যাব ৷ ওমনি মা আমাকে কয়েবার ডাক দিল ৷ কিন্তু আমি না শুনে চলে আসলাম কলেজে ৷ কলেজের গেট দিয়ে ডুকতেই দেখি রিমি গেটের একটু পাশে দাড়িয়ে আছে ৷ রিমির চোখ দুইটা লাল আর ফুলে আছে ৷ মনে হয় কাল সারারাত কান্না করেছে ৷ কিন্তু আমার কিছু যায় আসেনা ৷ রিমি কে আমি কোনদিন মেনে নেব না ৷ এভাবে আরো বেশকিছুদিন চলে গেল ৷ রিয়াকে যখন নিয়ে আসতে বাড়ি যায় তখন মা আমাকে দেখে শুধু কান্না করে আর আমার সাথে কথা বলার জন্য এগিয়ে আসে ৷ কিন্তু আমি কথা বলিনা ৷ 11 বছর আগে আমিও এভাবে বার বার ছুটে যেতাম মার কাছে একটু কথা বলার জন্য ৷ একটু আদর পাবার আশায় ৷ কিন্তু সেখানে অবহেলা ছাড়া কিছুই পাইনি ৷ তাই আমিও তাদের সাথে কথা বলবনা ৷ আর রিমি এই কয়দিনে সবসময় আমাকে ভালবাসে বুঝাতে চেয়েছে ৷ এমনকি প্রতিদিন ক্ষমা চাইছে আমার কাছে ৷ কিন্তু আমি কোনদিন ক্ষমা করব না ৷কারন 11বছর আগে রিমি যখন মিথ্যা অভিনয় করে আমার বাবার কাছে আমাকে মাইর খাওয়াছল ৷ তখনো আমি বাবার দুই পা জড়িয়ে ধরে অনেক অাকুতি মিনতি করে ক্ষমা চেয়েছি ৷ কিন্তু কারো মনে আমার জন্য এতটুকু দয়ামায়া হয়নি ৷ যেখানে নিজের মা বাবা আমাকে ক্ষমা করেনি ৷ রাস্তার কুকুরের মত মারছে ৷ সেখানে বাইরের মানুষ কিভাবে আমাকে ক্ষমা করবে ৷ একদিন দুপুরের পর আমি অফিসে বসে আছি ৷ তখন একটা কনস্টার্বল এসে বলল ৷ স্যার আপনার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে ৷ আমি ভাবলাম হয়তো কোন কাজে এসেছে হয়তো ৷ তাই আমি নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে লাগলাম ৷ ওনার আসার শব্দ পেয়ে আমি চেয়ারে বসতে বললাম ৷ আমিঃ জ্বী বলুন কি কাজে এসেছেন এখানে ৷【নিচের দিকে তাকিয়ে বললাম】 চেয়ারে বসা লোকটিঃ একজন মায়ের হারানো ছেলেকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি আমি ৷ আমি এবার সামনে বসা লোকঠির কন্ঠ শুনে উপরে তাকিয়ে দেখি আমার বাবা বসে আছে চেয়ারে ৷ আমি সাথে সাথে দাড়িয়ে পড়লাম ৷ আর অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি বাবার দিকে ৷ বাবাঃ আমার ছেলেটা আজ 11 বছর আগে তার মা বাবার উপর রাগ আর অভীমান করে চলে গেছে ৷ তাই তাকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি ৷ 【কান্না করে বলল】 বাবার কান্না আমার একদমই সহ্য হচ্ছে না ৷ অনেক কষ্টে নিজকে সামলিয়ে নিয়ে বললাম ৷ আমিঃ কোথায় আপনার হারিয়ে যাওয়া ছেলে আমি তো তাকে দেখতে পারছিনা ৷ কোন ছবি থাকলে দেন আমি খুজার চেষ্টা করব ৷ বাবাঃ সেতো আমার সামনে দাড়িয়ে আছে ৷ তাকে তুমি আবার কি খুজবে ৷ বাবা তোমার জন্য তোমার মা প্রতিটা রাতে কান্না করে ৷ তুই ফিরে চল বাবা ৷ আমিঃ সরি স্যার আমি কারো ছেলে না ৷ আপনাদের ছেলে আপনারা সেই 11 বছর আগে আপনারা নিজের হাতে খুন করেছেন ৷ সেই মেহেদী এখন আর বেচে নেই ৷ আমি এখন অন্য কারো সন্তান ৷ যাদের সাথে আমার কোন রক্তের কোন সম্পর্ক না হওয়ার সর্তেও তারা আমার নিজের ছেলের মত মানুষ করেছে ৷ বাবাঃ দেখ বাবা তোকে না পাওয়ার কারনে তোর মা দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে ৷ তুই ফিরে চল বাবা দেখবি তোর মা তোকে পেয়ে অনেক খুশি হবে ৷ আমিঃ আমি বললাম না আমি কারো সন্তান না ৷ তাও কেন এককথা বার বার বলেন ৷ 【কিছুটা উচু গলায় বললাম ৷】 আচ্ছা বাদ দিন বলুন আপনার ছেলে কেন আপনার বাড়ি থেকে চলে গেছে ৷ আমাকে আবার ডাইরিতে লিখতে হবে ৷ আর কার উপর অভীমান করে চলে গেছে ৷ কি কারনে অভিমান করে চলে গিয়েছিল ৷ আপনার ছেলের কি দোষ করেছিল ৷ সব গুছিয়ে বলুন আমাকে আবার সাজিয়ে লিখতে হবে তো ৷ এবার দেখলাম বাবা মাথা নিচু করে বসে আছে ৷ কারন আমি জানি এসব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই তাদের কাছে ৷ কারন তারা বিনা অন্যায়ে তাদের ছেলের উপর অমানুষিক অত্যাচার করে ৷ আমিঃ কি হল কিছু তো বলুন ৷ আমার আবার অন্য কাজ আছে একটা কাজ নিয়ে বসে থাকলে হবেনা ৷ বাবাঃ বাবা তুই আমাদের ক্ষমা করে দে বাবা ৷ তোকে যদি না নিয়ে যায় তাহলে তোর মা আবার অসুস্থ হয়ে যাবে ৷ আমার জন্য না হয় তোর মায়ের জন্য তুই একবার ফিরে চল বাবা ৷ আমিঃ আচ্ছা বাবা আমাকে একটা কথা বলবে তুমি ৷ আমার জানামতে আমি কোন অন্যায় করিনি ৷ তোমাদের সাথে কোনদিন খারাফ আচরন করিনি ৷ তাহলে কেন আমর জীবন টা এমন অবহেলিত জীবন হয়ে গেল ৷ তোমরা আমার সাথে ভালভাবে কথা বলতে না ৷ সামান্য একটু ভুল করলে আমাকে এমন ভাবে মারতে ৷ আরএকটু মারলে আমি মারা যেতাম ৷অজ্ঞান না হওয়া প্রর্যন্ত আমাকে মারতে ৷ ছোটকাল থেকে মা বাবার আদর পাইনি ৷ শুধু অবহেলা পেয়েছি ৷ কি কারনে তোমরা আমার সাথে এমন ব্যাবহার করতে বলতে পার তোমরা ৷ কি অন্যায় করেছিলাম আমি ৷ যে আমার শিশুকাল তোমারা নিজের হাতে খুন করে মাটিচাপা দিলা ৷ বাবাঃ তুই আমাদের ক্ষমা করে দে বাবা তোর সাথে আমরা অনেক বড় অন্যায় করছি ৷ আমাদের তুই ক্ষমা করে দে বাবা ৸ আমিঃ আমি জানতাম বাবা এই প্রশ্নের কোন উত্তর তোমাদের কাছে নেই ৷ বিনা অপরাধে আমার শিশুকাল তোমরা জাহান্নাম তৈরি করে দিয়েছিলে ৷ রাস্তার কুকুরের মত ব্যাবহার করছো তোমরা আমার সাথে ৷ আর সেই আমি তোমাদের একটু আদর ভালবাসা পাওয়ার জন্য বারবার কুকুরের মত ছুটে যেতাম তোমাদের কাছে ৷ 【হালকা কান্না করে বললাম】 আমিঃ আচ্ছা আপনার ছেলের পুরো ডিটেলস এখানে দিয়ে যান যদি সে বেচে থাকে তাহলে নিশ্চয় খজে পাবেন ৷ আর যদি তার মা বাবা তাকে মেরে ফেলে তাহলে আর তাকে খুজে পাবেন না ৷ তাই বলে আমি চলে আসলাম ওখান থেকে ৷ আজ আর অফিস করতে ভাল লাগছেনা ৷ তাই রুমে চলে আসলাম ৷ এসে কিছু খেয়ে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম ৷ সকালে হঠাং কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেল ৷ আমি ঘুম ঘুম চোখে দড়জা খুলে রিতিমত অবাক হয়ে গেলাম ৷ ……………….চলবে…………………….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*