Home Login Register

Naw Story Will Update Regularly......

অবহেলিত জীবন [৯ম পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / Story / অবহেলিত জীবন [৯ম পর্ব]

Admin › 3 weeks ago

লেখকঃ মেহেদী হাসান

\"\"

এখন আর তোমাদের ভালবাসার কোন দরকার নেই ৷ আমার সাথে যার কোন রক্তের সম্পর্ক নেই তারা আমাকে নিজের সন্তানের চাইতেও বেশি ভালবেসেছে ৷ নিজের সন্তানের মত আদর যত্ন করেছে ৷ আর কোনদিন এ বাড়িতে আসবনা এবার ভুল করে চলে এসেছি ৷ মাপ করে দেন এবারের মত ৷ তাই বলে কান্না করতে করতে বাইরে চলে আসলাম ৷ হঠাং করে আমার সেজেআম্মুর কথা মনে পড়ে গেল ৷ আমি বাইক টা একপাশে রেখে সেজেআম্মুর কাছে গেলাম ৷ সেজে আম্মু আমাকে দেখে অনেক খুশি হয়েছে ৷ আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল ৷ কারন সেজেআম্মুর কোন সন্তান নেই তাই আমাকে খুব ভালবাসতো ৷ তারপর কিছুক্ষন কথা বলে চলে আসলাম ৷ তারপর বাসাই চলে আসলাম আর আজকের সব ঘটনা আমার মা মানে আন্টিকে সব ফোনে বলে দিলাম ৷ আন্টি আমাকে রিতিমত বকা শুরু করে দিছে ৷ কেন আমি মায়ের সাথে খারাফ ব্যবহার করলাম ৷ আমিঃ কি করব মা আমার মনের ভিতর যে অনেক অভীমান জমে আছে তাদের জন্য ৷ আমি চাইলেও তাদের কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছা করেনা ৷ পুরানো কথা মনে পড়লে যে আমার ভীষন রাগ হয় ৷ আন্টিঃ তোমার মনের অবস্থা টা আমি বুঝতে পারছি বাবা কিন্তু তারা তো তোমার অাপন মা বাবা তারাই তোমার পরিবার তুমি তাদের কে কষ্ট দিও না বাবা ৷ আমিঃ না মা তারা আমার কেউ হয় না আমার পরিবার শুধু তোমরা ৷ তারা আমার কোন অপজন হয় না ৷ শুধু আমার কলিজার টুকরা রিয়া আমার আপনজন আর তোমরা তাছাড়া আর কেউ না ৷ তুমি আমার মা তাছাড়া আর কেউ আমার মা হতে পারেনা ৷ অন্টিঃ ঠিক আছে বাবা পাগল ছেলে একটা ৷ এখন রাখছি তুই ঠিকমত নিজের খেয়াল রাখিস বাবা ৷ আজ অফিস বন্ধ তাই আমার প্রিয় বন্ধু শাকিল কে ফোন দিয়ে আসতে বললাম ৷ অনেকদিন আড্ডা দেওয়া হয়নি ৷ তাই আড্ডা দিতে চলে গেলাম আমাদের পুরানো জাইগায় ৷ শাকিলঃ দোস্ত তুই যাই বলিস তুই চলে যাওয়ার পর রিমি প্রায় প্রতিদিন আমার কাছে শুনতো যে তুই কোথায় আছিস কবে আসবি ৷ আর আমার সামনে কান্না করত প্রতিদিন ৷ আর রিমি এপ্রর্যন্ত বিয়ে করেনি ৷ অনেক ভাল ভাল জাইগা থেকে সম্বন্ধ এসেছিল কিন্তু রিমি রাজি হয় নি ৷ মেয়েটা তোকে সত্যি অনেক ভালবাসে রে ৷ আমিঃ দেখ দোস্ত তুই ভাল করেই জানিস 11 বছর সেই আগের কথা ৷ শুধু এই মেয়ের একটু জেদের কারনে বাবা আমাকে রাস্তার কুকুরের মত পিটালো ৷ এই বদমেজাজি মেয়ের জন্য আমার জীবন থেকে 11 টা বছর হারিয়ে গেছে ৷ 11 টা বছর আমার পিচ্ছি বোনটা কষ্ট পেয়েছে ৷ তারপরেও তুই কেন ওই মেয়ের কথা বলছিস ৷ শাকিলঃ সে তো আর জানতনা যে তোর জীবনে এমন কিছু চলছে যা তুই অপমান আর অবহেলায় জড়িয়ে আছে তোর দীবন ৷ যদি সে জানতো তোর জীবনটা এমন কষ্টময় তাহলে কোনদিন তোর সাথে বাজে ব্যবহার করত না ৷ আমি যেদিন বলেছিলাম তোর জীবনের কথা গুলো ৷ সেদিন রিমি অনেক কান্না করেছিল ৷ আর তোকে শুধু খুজে বেরাচ্ছিল ৷ আমিঃ দোস্ত এসব কথা বাদ দে ৷ এখন আমার মুড ভাল আছে ৷ প্লিজ ওই মেয়ের কথা বলে আমার মুডটা নষ্ট করিস না ৷ শাকিলঃ ঠিক আছে তোর লাইফ তোর ডিসিশন ৷ আমিঃ তা লেখাপড়া করে বসে আছিস কেন কোন চাকরি কর ৷ শাকিল৷ আমাকে আর কে চাকরি দিবে ৷ চাকরি করতে মোটা অংকের ঘুষ লাগবে ৷ আর তুই তো জানিস আর ফ্যামিলির অবস্থা ৷ আমিঃ হুমমমম জানি আচ্ছা তোর একটা চাকরির ব্যবস্থা করছি ৷ তোর সব সার্টিফিকেট গুলো কাল দিয়ে যাস আমার কাছে ৷ আর আমি গেলাম বাই ৷ তারপর সেখান থেকে চলে আসলাম আমার রুমে ৷ একা একা ভাল লাগছেনা তাই বসে বসে টিভি দেখছি ৷ হঠাং করে কলিংবেল বেজে উঠলো ৷ আমি দড়জা খুলে তো রীতিমত অবাক হয়ে গেলাম ৷ দেখি রিমি দাড়িয়ে আছে ৷ সাদা একটা ড্রেস পড়ে ৷ চোখের নিচে হালকা কালি পড়েছে ৷ চুল গুলো এলোমেলো করা ৷ অনেক সুন্দর আর মায়াবী লাগছে রিমি কে ৷ মনে হচ্ছে সারাজীবন রিমিকে বুকের মধ্যে আগলিয়ে রাখি ৷ আমিঃ কি ব্যাপার আপনি এখানে কি করছেন ৷ আর এ………… রিমি আমাকে আর কিছু বলতে না দিয়ে আমার ঠোট দুটো নিজের ঠোটের সাথে মিলিয়ে দিল ৷ টানা 2 মিনিট পর আমি রিমির কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিলাম ৷ আমিঃ এটা কি হল এখটা পর পুরুষের সাথে কিস করতে আপনার লজ্জা করেনা ৷ আর এখানে কি করছেন আপনি ৷ অপনাকে আমার সহ্য হচ্ছে না প্লিজ আপনি এখান থেকে চলে যান নইলে খুব খারাফ হবে কিন্তু ৷ রিমি কোন কথা বলছেনা শুধু চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে ৷ কি হল কথা বলেন এখানে কি করতে এসেছেন ৷ রিমি এবার আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল ৷ আর রিমির কান্না বেড়ে গেল ৷ রিমিঃ প্লিজ মেহেদী আমাকে আর কষ্ট দিও না ৷ এই 11 টা বছর আমার অনেক কষ্ট হয়েছে ৷ শুধ তোমার কথা ভেবে ৷ প্রতিটা রাতে তোমার জন্য চোখের পানিতে বালিশ ভিজাইছি ৷ তোমাকে ছাড়া আমার অনেক কষ্ট হয় ৷ মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে শেষ করে দিই ৷ এতটা অপরাধবোধ কাজ করে আনার মধ্যে ৷ প্লিজ আমাকে তুমি মাপ করে দাও ৷ কথা দিচ্ছি আর কোনদিন কষ্ট দেবনা তোমাকে ৷ 【জড়িয়ে ধরে কান্না করে বলল】 আমিঃ রিমিকে এক ঝাটকায় সরিয়ে দিলাম ৷ তোমার মত মেয়েদের আমার ভালভাবে চেনা আছে ৷ তোমরা শুধু অভীনয় করতে পার কোনদিন কাউকে ভালবাসতে পারনা ৷ আমি আবার তোমার সামনে আছি বলে তোমার সহ্য হচ্ছে না ৷ তাই আবার মিথ্যা অভীনয় করে আমাকে আবার দূড়ে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন ৷ আপনার জন্য 11 টা বছর আমি আমার পাগলি বোনের কাছ থেকে দূড়ে ছিলাম ৷ প্লিজ এবার আর অভীনয় করার দরকার নেই ৷ আপনি একবার বলেন আমি এমনি দূড়ে সরে যাব ৷ আর কোনদিন এই চেহারা আপনাকে দেখাবনা ৷ তবুও মিথ্যা অভীনয় করে আনাকে সবার চোখে দোষী তৈরি করবেন না ৷ রিমিঃ আমি আগে যা করেছি সবকিছু না জেনে করেছি ৷ প্লিজ আমাকে ভুল বুঝনা ৷ আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালবাসি ৷ তোমাকে ছাড়া যে আমি বাচবনা ৷ তোমাকে ভাবতে ভাবতে যে তুমি আমার প্রতিটা অঙ্গে মিশে গেছ ৷ প্লিজ আমাকে তুমি মাপ করে দাও ৷ 【 কান্না করে বলল】 আমিঃ হয়েছে আপনার অভিনয় করা ৷ এবার আপনি আসতে পারেন ৷ একটা ব্যাচেলার ছেলের ঘরে একটা মেয়ে দেখে সবাই খারাফ ভাববে আর আমি তো পুলিশ ৷ আমি চাইনা আমার ক্যারিয়ারে কোন দাগ লাগুক ৷ তারপর রিমির হাত ধরে দড়জার বাইরে নিয়ে ৷ আমি ভীতর থেকে দড়জা আটকিযে দিলাম ৷ এখন আর বাইরে যেতে ভাল লাগছে না ৷ তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম ৷ সকালে তাড়াতাড়ি উঠে ফ্রেশ হয়ে চলে আসলাম বাড়িতে ৷মানে রিয়ার কাছে রিয়াকে কলেজে পৌছায়ে দিতে ৷ দেখি রিয়া আমার জন্য গেটের কাছে দাড়িয়ে আছে ৷ আর মা কিছুদূড়ে আমাকে দেখার জন্য দাড়িয়ে আছে ৷ আমি রিয়া কে নিয়ে যেই চলে আসতে যাব ৷ ওমনি মা আমাকে কয়েবার ডাক দিল ৷ কিন্তু আমি না শুনে চলে আসলাম কলেজে ৷ কলেজের গেট দিয়ে ডুকতেই দেখি রিমি গেটের একটু পাশে দাড়িয়ে আছে ৷ রিমির চোখ দুইটা লাল আর ফুলে আছে ৷ মনে হয় কাল সারারাত কান্না করেছে ৷ কিন্তু আমার কিছু যায় আসেনা ৷ রিমি কে আমি কোনদিন মেনে নেব না ৷ এভাবে আরো বেশকিছুদিন চলে গেল ৷ রিয়াকে যখন নিয়ে আসতে বাড়ি যায় তখন মা আমাকে দেখে শুধু কান্না করে আর আমার সাথে কথা বলার জন্য এগিয়ে আসে ৷ কিন্তু আমি কথা বলিনা ৷ 11 বছর আগে আমিও এভাবে বার বার ছুটে যেতাম মার কাছে একটু কথা বলার জন্য ৷ একটু আদর পাবার আশায় ৷ কিন্তু সেখানে অবহেলা ছাড়া কিছুই পাইনি ৷ তাই আমিও তাদের সাথে কথা বলবনা ৷ আর রিমি এই কয়দিনে সবসময় আমাকে ভালবাসে বুঝাতে চেয়েছে ৷ এমনকি প্রতিদিন ক্ষমা চাইছে আমার কাছে ৷ কিন্তু আমি কোনদিন ক্ষমা করব না ৷কারন 11বছর আগে রিমি যখন মিথ্যা অভিনয় করে আমার বাবার কাছে আমাকে মাইর খাওয়াছল ৷ তখনো আমি বাবার দুই পা জড়িয়ে ধরে অনেক অাকুতি মিনতি করে ক্ষমা চেয়েছি ৷ কিন্তু কারো মনে আমার জন্য এতটুকু দয়ামায়া হয়নি ৷ যেখানে নিজের মা বাবা আমাকে ক্ষমা করেনি ৷ রাস্তার কুকুরের মত মারছে ৷ সেখানে বাইরের মানুষ কিভাবে আমাকে ক্ষমা করবে ৷ একদিন দুপুরের পর আমি অফিসে বসে আছি ৷ তখন একটা কনস্টার্বল এসে বলল ৷ স্যার আপনার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে ৷ আমি ভাবলাম হয়তো কোন কাজে এসেছে হয়তো ৷ তাই আমি নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে লাগলাম ৷ ওনার আসার শব্দ পেয়ে আমি চেয়ারে বসতে বললাম ৷ আমিঃ জ্বী বলুন কি কাজে এসেছেন এখানে ৷【নিচের দিকে তাকিয়ে বললাম】 চেয়ারে বসা লোকটিঃ একজন মায়ের হারানো ছেলেকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি আমি ৷ আমি এবার সামনে বসা লোকঠির কন্ঠ শুনে উপরে তাকিয়ে দেখি আমার বাবা বসে আছে চেয়ারে ৷ আমি সাথে সাথে দাড়িয়ে পড়লাম ৷ আর অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি বাবার দিকে ৷ বাবাঃ আমার ছেলেটা আজ 11 বছর আগে তার মা বাবার উপর রাগ আর অভীমান করে চলে গেছে ৷ তাই তাকে ফিরিয়ে নিতে এসেছি ৷ 【কান্না করে বলল】 বাবার কান্না আমার একদমই সহ্য হচ্ছে না ৷ অনেক কষ্টে নিজকে সামলিয়ে নিয়ে বললাম ৷ আমিঃ কোথায় আপনার হারিয়ে যাওয়া ছেলে আমি তো তাকে দেখতে পারছিনা ৷ কোন ছবি থাকলে দেন আমি খুজার চেষ্টা করব ৷ বাবাঃ সেতো আমার সামনে দাড়িয়ে আছে ৷ তাকে তুমি আবার কি খুজবে ৷ বাবা তোমার জন্য তোমার মা প্রতিটা রাতে কান্না করে ৷ তুই ফিরে চল বাবা ৷ আমিঃ সরি স্যার আমি কারো ছেলে না ৷ আপনাদের ছেলে আপনারা সেই 11 বছর আগে আপনারা নিজের হাতে খুন করেছেন ৷ সেই মেহেদী এখন আর বেচে নেই ৷ আমি এখন অন্য কারো সন্তান ৷ যাদের সাথে আমার কোন রক্তের কোন সম্পর্ক না হওয়ার সর্তেও তারা আমার নিজের ছেলের মত মানুষ করেছে ৷ বাবাঃ দেখ বাবা তোকে না পাওয়ার কারনে তোর মা দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে ৷ তুই ফিরে চল বাবা দেখবি তোর মা তোকে পেয়ে অনেক খুশি হবে ৷ আমিঃ আমি বললাম না আমি কারো সন্তান না ৷ তাও কেন এককথা বার বার বলেন ৷ 【কিছুটা উচু গলায় বললাম ৷】 আচ্ছা বাদ দিন বলুন আপনার ছেলে কেন আপনার বাড়ি থেকে চলে গেছে ৷ আমাকে আবার ডাইরিতে লিখতে হবে ৷ আর কার উপর অভীমান করে চলে গেছে ৷ কি কারনে অভিমান করে চলে গিয়েছিল ৷ আপনার ছেলের কি দোষ করেছিল ৷ সব গুছিয়ে বলুন আমাকে আবার সাজিয়ে লিখতে হবে তো ৷ এবার দেখলাম বাবা মাথা নিচু করে বসে আছে ৷ কারন আমি জানি এসব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই তাদের কাছে ৷ কারন তারা বিনা অন্যায়ে তাদের ছেলের উপর অমানুষিক অত্যাচার করে ৷ আমিঃ কি হল কিছু তো বলুন ৷ আমার আবার অন্য কাজ আছে একটা কাজ নিয়ে বসে থাকলে হবেনা ৷ বাবাঃ বাবা তুই আমাদের ক্ষমা করে দে বাবা ৷ তোকে যদি না নিয়ে যায় তাহলে তোর মা আবার অসুস্থ হয়ে যাবে ৷ আমার জন্য না হয় তোর মায়ের জন্য তুই একবার ফিরে চল বাবা ৷ আমিঃ আচ্ছা বাবা আমাকে একটা কথা বলবে তুমি ৷ আমার জানামতে আমি কোন অন্যায় করিনি ৷ তোমাদের সাথে কোনদিন খারাফ আচরন করিনি ৷ তাহলে কেন আমর জীবন টা এমন অবহেলিত জীবন হয়ে গেল ৷ তোমরা আমার সাথে ভালভাবে কথা বলতে না ৷ সামান্য একটু ভুল করলে আমাকে এমন ভাবে মারতে ৷ আরএকটু মারলে আমি মারা যেতাম ৷অজ্ঞান না হওয়া প্রর্যন্ত আমাকে মারতে ৷ ছোটকাল থেকে মা বাবার আদর পাইনি ৷ শুধু অবহেলা পেয়েছি ৷ কি কারনে তোমরা আমার সাথে এমন ব্যাবহার করতে বলতে পার তোমরা ৷ কি অন্যায় করেছিলাম আমি ৷ যে আমার শিশুকাল তোমারা নিজের হাতে খুন করে মাটিচাপা দিলা ৷ বাবাঃ তুই আমাদের ক্ষমা করে দে বাবা তোর সাথে আমরা অনেক বড় অন্যায় করছি ৷ আমাদের তুই ক্ষমা করে দে বাবা ৸ আমিঃ আমি জানতাম বাবা এই প্রশ্নের কোন উত্তর তোমাদের কাছে নেই ৷ বিনা অপরাধে আমার শিশুকাল তোমরা জাহান্নাম তৈরি করে দিয়েছিলে ৷ রাস্তার কুকুরের মত ব্যাবহার করছো তোমরা আমার সাথে ৷ আর সেই আমি তোমাদের একটু আদর ভালবাসা পাওয়ার জন্য বারবার কুকুরের মত ছুটে যেতাম তোমাদের কাছে ৷ 【হালকা কান্না করে বললাম】 আমিঃ আচ্ছা আপনার ছেলের পুরো ডিটেলস এখানে দিয়ে যান যদি সে বেচে থাকে তাহলে নিশ্চয় খজে পাবেন ৷ আর যদি তার মা বাবা তাকে মেরে ফেলে তাহলে আর তাকে খুজে পাবেন না ৷ তাই বলে আমি চলে আসলাম ওখান থেকে ৷ আজ আর অফিস করতে ভাল লাগছেনা ৷ তাই রুমে চলে আসলাম ৷ এসে কিছু খেয়ে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম ৷ সকালে হঠাং কলিংবেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেল ৷ আমি ঘুম ঘুম চোখে দড়জা খুলে রিতিমত অবাক হয়ে গেলাম ৷ ……………….চলবে…………………….

About Author


Administrator
Total Post: [356]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy