Home Login Register

সুপ্রিয় পাঠক বিশেষ কারণবসত আগামী কিছুদিন গল্প নিয়মিত আপডেট বন্ধ থাকবে, সাময়িক এই সমস্যার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি ।

অবহেলিত জীবন [৫ম পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / Story / অবহেলিত জীবন [৫ম পর্ব]

Admin › 2 weeks ago

লেখকঃ মেহেদী হাসান

আমার যখন জ্ঞান ফিরল তখন আস্তে আস্তে চোখ টা মেলানোর চেষ্টা করলাম ৷ অনেক কষ্ট হচ্ছে চোখ খুলতে ৷ হাত পা নাড়াতে পারছিনা শরীরে কোন শক্তি নেই প্রচন্ড ব্যাথা ৷ আমি চোখ দুটো খুলে দেখি বিকাল হয়ে গেছে ৷

কাল রাতে কিছু খাইনি সারাদিন না খেয়ে শরীরে কোন শক্তি নেই ৷ আর শরীরে প্রচন্ড ব্যাথ ৷ আস্তে আস্তে মাথায় হাত দিলাম ৷ দেখি রক্ত শুখিয়ে গেছে ৷ আর ঠোট ফুলে গেছে ৷

যখনি শোয়া অবস্থা থেকে উঠতে যাব তখনি আবার মাথাটা প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করলাম ৷ আবর জ্ঞান হারালাম ৷

আমার মুখে কেউ পানির ছিটা দিল আর তখনি আমার জ্ঞান ফিরলো ৷ আস্তে আস্তে তাকিয়ে দেখি ৷ আমার পাশে রিমি বসে কান্না করছে ৷ আর সেজে আম্মু আমার মাথায় পানি ঢালছে ৷

আমার কথা বলার কোন শক্তি নেই ৷ আমি নিশ্চুপ হয়ে রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছি ৷ দেখি রিয়া কান্না করতে করতে চোখ ফুলে গেছে ৷

রিয়াঃ ভাইয়া তোর খুব কষ্ট হচ্ছে তাই না ৷ আমার জন্য বাবা তোকে মারল ৷ আমাকে ক্ষমা করে দে ভাইয়া আমি আর কোনদিন কান্না করব না ৷

আমার দুই গালে প্রচন্ড ব্যাথা তাই কথা বলতে পারছিনা ৷ রিয়ার কান্না দেখে আমারো কান্না চলে আসলো ৷ আমার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি ঝড়ছে ৷

সেজেআম্মুঃ তোরা এখানে বস আমি তোদের জন্য খাবার নিয়ে আসছি ৷

তাই বলে সেজেআম্মু চলে গেল খাবার নিয়ে আসতে ৷ আমি আস্তে আস্তে রিয়া কে বললাম ৷

আমিঃ মা কই মা আসিনি এখানে ৷ 【 আস্তে আস্তে কোন রকম বললাম】

রিয়াঃ মাকে কয় বার ডেকেছি কিন্তু মা আসেনি বলছে তার কাজ আছে তাই আসেনি ৷ আর বাবা ভাইয়া কেউ একবার তোকে দেখতে আসিনি ৷

রিয়ার কথা শুনে এবার আমার আরো কষ্ট হল ৷ চোখ দিয়ে অঝর ধারায় পানি পড়তে লাগলো ৷ আমাকে কেন মারতে মারতে মেরে ফেল দিল না কেন ৷ 【মনে মনে বললাম】

আমিঃ বাবা কেন আমাকে মেরে ফেলে দিল না ৷ এভাবে বেচে না থেকে মরে যাওয়া অনেক ভালো রে ৷ কেন তুই বাচালি আমাকে অন্তত মরে গেলে মা বাবা কিছুটা শান্তি পেত ৷ আর আমাকে এভাবে অবহেলিত জীবন সহ্য করতে হত না ৷

আর আমার এই বিরক্তকর চেহারা দেখে তারা আর বিরক্ত হত না ৷ 【আস্তে আস্তে কান্না করে】

রিয়াঃ ভাইয়া তুই কাদিস না তোর কিছু হয়ে গেলে আমাকে কে আপু বলে ডাকবে কে আমার খাবার খাবে ৷ তুই আর কোনদিন মরার কথা মুখে নিবি না ৷ 【আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে বলল】

আমার শরীরে প্রচুর ব্যাথা তাই হাত নাড়াতে পারছিনা ৷ রিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগলো ৷ আর আমার চোখ দিয়ে দিয়ে পানি পড়তে লাগলো ৷

কিছুক্ষন পর সেজেআম্মু খাবার নিয়ে চলে আসলো ৷ আর রিয়া আমাকে নিজের হাতে খাবার খাইয়েদিতে গেল ৷ কিন্তু আমি খেতে পারছিনা ৷ মুখে আর ঠোটে প্রচুর ব্যাথা বাবার চড় ঘুষি মারার কারনে ৷

আমিঃ আমি খেতে পারবনা আপু মুখে প্রচন্ড ব্যাথা খেতে পারবনা আমি ৷

রিয়াঃ তাহলে আমিও খাবনা যতদিন তুই ঠিকমত না খেতে পারছিস ততোদিন আমিও খাবার খাবনা ৷

আমিঃ তুই খেয়ে নে পাগলি আমি সুস্থ হলে খেয়া নেব ৷ 【 আস্তে আস্তে বসলাম】

রিয়াঃ তুই কোন কথা বলিস না আমি জানি তোর মুখে অনেক ব্যাথা তাই না রে ৷

আমি শুধু ইশারা করে হ্যা বললাম ৷ তারপর রিয়া আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে গেল ৷

আর ওমনি আমার প্রচন্ড ব্যাথা লাগলো মাথায় ৷ কারন বাবা যখন আমার বুকে লাথি মারল তখন আমি ছিটকিয়ে গিয়ে টেবিলের কোনায় লেগে কেটে গেছে ৷ তাই মাথায় ব্যান্ডেজ করা ৷

রিয়া আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো আর আমি কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি নিজেই জানিনা ৷

দুপুরের পর ঘুম ভাাঙলো দেখি পাগলিটা আমার মাথার কাছেই ঘুমিয়ে পড়েছে ৷ পাগলিটার মত যদি মা বাবা একটু ভালবাসতো তাহলে হয়ত আমার থেকে সূখী আর কেউ হত না ৷

কিন্তু সেখানে তাদের সন্তান কে একদমই সহ্য করতে পারেনা ৷ আমি কি এতটায় খারাফ এতটায় বিরক্তিকর যে আমাকে এভাবে অপমান আর অবহেলা করবে ৷

আজ আমি যদি মারা যেতাম তাহলে সবথেকে মনে হয় খুশি হত মা বাবা ৷ কারন তারা চাই না যে আমি তাদের সাথে থাকি ৷ যদি তারা আমাকে সন্তান ভাবতো তাহলে আমাকে একবারের জন্য দেখতে আসতো ৷

যেদিন মা বাবা ভাইয়া আমার পিচ্চি বোনটার কাছে থেকে অনেক দূড়ে হারিয়ে যাব ৷ সবকিছু ছেড়ে চলে যাব সেদিন মনে হয় মা বাবার মুখে হাসি ফুটবে ৷ এসব ভাবছি আর চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি ঝড়ছে ৷

তারপর দেখি রিয়া জেগে উঠছে ৷ আমার চোখে পানি দেখে রিয়া তাড়াতাড়ি উঠে বলল ৷

রিয়াঃ ভাইয়া তুই কাদিস কেন কি হয়েছে তোর ৷

আমিঃ কিছু হয় নি রে আপু ৷ আচ্ছা আপু আমি যদি কোন তোদের সবাইকে ছেড়ে চলে যাই তাহলে মা বাবা আমাকে খুজবে ৷ যদি আমি অনেক দূড়ে হারিয়ে যাই তাহলে তুই আমকে মিস করবি খুব ৷

রিয়াঃ কোথায় যাবি তুই আমাকে রেখে ৷ তুই থাকতে পারবি আমাকে দূড়ে সরিয়ে একা একা থাকতে ৷ তুই চলে গেলে আমি বড় একা একা হয়ে যাব রে ৷ তুই আমাকে ছেড়ে কোথায় যাবিনা ৷

রিয়ার কথা শুনে খুব কষ্ট হচ্ছে আমার পাগলি বোন টা আমাকে কত ভালবাসে ৷ কিন্তু যেখানে মা বাবা আমাকে বিরক্তিকর মনে করে সেখানে কিভাবে থাকি ৷

কিছুক্ষন পর দেখি সেজেআম্মু আমার জন্য মিষ্টি তরল জিনিস নিয়ে আসলো ৷ আমি আস্তে এগুলো খেয়ে নিলাম ৷ তারপরে পোইনকিলার ওষুধ খেয়ে নিলাম ৷

এভাবে চলে গেল 2 সপ্তাহ ৷ এই কয়টা দিন মা বাবা আমাকে একবারো দেখতে আসেনি ৷আমি মারা গেছি কি বেচে আছি ৷ একটিবারের জন্য খোজ নেইনি ৷ সবসময় রিয়া আমাকে দেখাশুনা করেছে ৷

এই পাগলি টা যদি না থাকতো তাহলে আমি আরো আগে হয়ত মারা যেতাম ৷ আমি এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছি আস্তে আস্তে হাটতে পারি শরীরে আর কোন ব্যাথা নেই ৷ তবে নাকে মুখে মারীর দাগ টা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ৷ এই কয়দিন আমি মা বাবার সামনে যাইনি ৷ সবসময় রুমে শুয়ে থাকতাম দড়জা আটকিয়ে ৷ আর যদিও মায়ের সাথে দেখা হত মা আমাকে না দেখার ভান করে চলে যেত তার কাজে ৷

তারপর আমি আর একটু সুস্থ হয়ে গেলাম ৷ এখন ভালভাবে হাটাচলা করতে পারি ৷ তাই ভাবছি কাল থেকে আবার স্কুলে যাব ৷ পরেরদিন সকালে কিছু না খেয়ে চলে আসলাম স্কুলে ৷

স্কুলের গেট দিয়ে যেই ডুকতে যাব তখনি দেখি সামনে সেই অহংকারি বদমেজাজি মেয়েটা দাড়িয়ে আছে ৷ আমকে ডাক দিল আমি কাছে গিয়ে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে ৷

রিমিঃ কিরে মিঃ ক্ষ্যাত এতদিন কই ছিলি স্কুলে আসিস না কেন ৷ আর মাথা উচু কর দেখি আপনার চেহারাটা ৷

আমি মাথা উচু করলাম আর নিশ্চুপ ভাবে দাড়িয়ে তাদের কান্ডখারখানা দেখছি ৷

রিমিঃ কিরে ছোটলোকের বাচ্চা তোর মুখে এসব কিসের দাগ চুরি করতে গিয়েছিলি নাকি ৷ চুরি করতে গিয়ে ধরা খেয়ে ইশশশশ কি মারটায় না দিল ৷【সবাই একসাথে হেসে উঠলো】 সে জন্য তোকে দেখিনা বেশকিছুদিন ৷ এই ফকিরের বাচ্চা বল কোথায়চুরি করতে গেছিলি ৷

যাদের মা বাবার ঠিক নেই তারা হবে আমার মানুষ ৷ তারাতো সব চোর ডাকাত অমানুষ হয় তারা করবে আবার পড়লেখা ৷

রিমির কথা শুনে আমার ভীষন রাগ হতে লাগল ৷ মনে হচ্ছে যে পেত্নিটা কে চড় চড় মারতে বাড়ি নিয়ে যায় ৷ এমন মেয়েদের মারলে সারাদিন মার খাবে এরা ৷ আমার জন্ম নিয়ে কথা বলার সাহস কে দিল ওকে ৷ আর আমি চুরি করেছি না অন্য কিছু না দেখে কীভাবে বলতে পারল ৷

আমি রিমির সামনে মাখা নিচু করে দাড়িয়ে আছি ৷ আর রিমি রা সব আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে ৷ তখনি দেখি কেউ আমাকে পিছন থেকে ভাইয়া ভাইয়া বলে চিৎকার করতে করতে আসছে আমার দিকে ৷

কাছে আসতেই দেখি আমার পিচ্চি বোন টা ৷ রিয়া আমার কাছে চলে আসলো ৷

রিয়াঃ ভাইয়া তুই আমাকে না বলে স্কুলে কেন আসিছিস ৷ আর আমাকে বলে আসবিনা তুই তাহলে তোর খাবার টা দিতাম ৷ আর তোর শরীর তো এখোনো পুরোপুরি ঠিক হয় নি তাহলে কেন এসেছিস স্কুলো ৷

রিমিঃ বাবা কি ভালবাসা ভাইবোনের ৷ তোমার ভাই তো চুরি করে ধরা পড়ছে আর তোমার ভাই কে অনেক মেরেছে ৷ তা তুমিও কি ওর মত চুরি কর নাকি ৷ 【রিয়া কে উদ্দেশ্যা করে বল】 আসলে তোদের যদি জন্মের ঠিক হত তাহলে তোরা এসব কাজ করতে পারতিস না ৷ আর এসব ছোটলোক ফকিরের বাচ্চাদের কেন যে স্কুলে ভর্তি হতে দেয় বুঝিনা ৷ আজই বাবার সাথে বলে তোকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করছি দাড়া ৷

ঠাসসসসসসসসসস, ঠাসসসসসসসসস রিমির কথা শুনে আমার মাথায়প্রচন্ড রাগ উঠে গেল ৷ তাই রিমি কে দুইটা চড় মারলাম ৷ রিমি চড় খেয়ে গালে হাত দিয়ে আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ৷

আমিঃ এতোক্ষন আমাকে নিয়ে যাবলেছিস আমি কিছু মনে করিনি ৷ কিন্তু আমার বোন কে নিয়ে আর একটা বাজে কথা বললে তোকে আমি খুন করে ফেলে দেব বেয়াদব মেযে ৷ আর তুই আমাকে ছোটলোক বলছিস তাই না ৷ ছোটলোক তো তুই ফকিরের বাচ্চা তুই ৷

যে মানুষ কে সম্মান দিতে পারেনা সে আবার মানুষ হল কিভাবে ৷ আর তুই কি যেন বলেছিলি জন্মের ঠিক নেই তাইনা ৷ আসলে তোর জন্মের ঠিক নেই ৷ যদি তোর তোর জন্মের ঠিকথকতো তাহলে এভাবে মানুষ কে অপমান করতিস না ৷


আর আমার মুখে মারার দাগ দেখে তুই বলে দিলি আমি চুরি করতে ধরা পড়েছি তাই না ৷ তোর মত ফালতু বদমেজাজি অহংকারি ময়ে আমি কোনদিন দেখিনি ৷ তুই আর আমার সামনে কোনদিন আসবিনা ৷ 【 চিৎকার করে বললাম সব ছাত্ত ছাত্তি আর কিছু স্যার আর ম্যাম চলে আসছে চিৎকার শুনে ৷】

তারপর আমি রিয়া কে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম ৷ তারপর পিছনে তাকিয়ে দেখি রিমি গালে হাত দিয়ে চোখদুটা লাল করে করে দাড়িয়ে আছে মনে হচ্ছে এখনি চোখ দিয়ে আগুন বের হবে ৷

তারপর বাড়ি এসে নিজের রুমে বসলাম আর রিয়া কিছুক্ষন পর খাবার নিয়ে আসলো ৷ আমি আর রিয়া খেতে বসলাম ৷

পরেরদিন স্কুলে গেলাম গিয়ে ক্লাসরুমে চলে আসলাম ৷ আমি ক্লাসে গিয়ে দেখি রিমি ও তার বান্ধবিরা সব সামনে বসে আছে আমাকে দেখে তারা রাগান্তিত ভাবে আমার দিখে তাকালো ৷

আমি কোনকিছু না ভেবে চলে আসলাম পিছনে দেখি শাকিল বসে আছে ৷

শাকিলঃ কিরে কই ছিলি তুই এতোদিন স্কলে আসিস নি কেন ৷

তারপর আমি শাকিল কে সব বললাম ৷ দেখি শাকল মন খারাফ হয়ে গেল ৷

কিছুক্ষন পর দেখি রিমি উঠে দাড়াল ৷ আর বলতে লাগলো যে ৷

রিমিঃ স্যার পিছন থেকে কে যেন এই কাগজ টা ছুড়ে মরল ৷

স্যারঃ কই দেখি কি লেখা আছে তাতে ৷

প্রিয়তমা রিমি

রিমি আমি কালকের জন্য সরি ৷ সত্যি আমি কালকে তোমাকে মারতে চাইনি ৷ কারন তোমাকে খুব ভালবাসি আমি ৷ তুমি আমাকে ভুল বুঝনা ৷ প্লিজ তুমি আমাকে একটু ভালবাস ৷ আর কাল বিকালে যখন তোমাদের বাসার দিকে গিয়েছিলাম তোমাকে খুব সুন্দর লাগছিল ৷ লাল ড্রেসে উরনা হীন বুক ৷ উপসসসস মনে হচ্ছে তোমকে সারাদিন জড়িয়ে ধরে রাখি ৷ প্লিজ তুমি আমার ভালবাসা গ্রহন করে নাও ৷

ইতি তোমার ভালবাসার মানুষ

মেহেদী

চিঠিটা পড়ে স্যার আমর দিকে রাগে কটমট করতে লাগল ৷ আমি তো কিছুই বুঝতে পারছিনা কেন স্যার আমার দিকে তাকাচ্ছে ৷

স্যার সোজা এসে আমাকে দুইটা চড় মারলো ৷ তোমাকে ভাল ছেলে মনে করতাম আমি কিন্তু তুমি এমন বাজে ছেলে আমি কোনদিন ভাবতেও পারিনি ৷

স্যার আমি কি করেছি যে বাজে ছেলে বলছেন ৷

চুপপপপপপ তুমি রিমিকে এইচিঠি টা কেন দিছো ৷ আর কি সব বাজে কথা লিখছো ৷

স্যার বিশ্বাস করেন আমি কোন চিঠি দিইনি ৷ আমিতো আপনার ক্লাসে মনোযগী ছিলাম ৷

চুপ বেয়াদব ছেলে তোমাকে আজ অনেক বড় শাস্তি ভোগ করতে হবে বেয়াদবের জন্য ৷

রিমিঃ স্যার এর উপোযুক্ত বিচার করতে হবে আর যদি এর বিচার না করেন আমি আমার আব্বুকে খবর দেব কিন্তু ৷

রিমির বাবা স্কুলে সভাপতি তাই সবাই ভয় পাই রিমি কে ৷

তারপরে আমাকে আর রিমি কে স্যার হেডমাস্টারের রুমে নিয়ে গেল ৷ আর আমার মা বাবা কে আর রিমির বাবা কে খবর দিয়ে ডেকে পাঠাল ৷

খুব ভয় হচ্ছে যে বাবা এসে আমাকে এই অবস্থায় দেখে আমাকে খন করে ফেলবে ৷ আমি হেডস্যার কে অনকে মিনতি করলাম যে স্যর আমি কিছু করিনি ৷ কিন্তু আমার কথায় কিছুই শুনলা না ৷

কিছুক্ষন পর মা বাবা ভাইয়া আর রিয়া আসলো ৷ বাবাকে দেখৈ মনে হল বেশ রেগে আছে ৷ আমি বাবাকে দেখে অনেক ভয় পেতে লাগলাম ৷

……………….চলবে………………..

About Author


Administrator
Total Post: [352]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy