Home Login Register

Naw Story Will Update Regularly......

অবহেলিত জীবন [৩য় পর্ব]


প্রিয় পাঠক আমাদের টিম বিনা স্বার্থে আপনাদের জন্য গল্প আর্কাইভ করে, আপনাদের নিকট বিশেষ অনুরোধ যে, বিডিস্টোরি২৪ ডটকম এর স্বার্থে আপনারা এডগুলোতে ক্লিক করবেন, তবে দিনে একবারের বেশী না, যদি আমাদের সাইটকে ভালোবেসে থাকন তো.......
Home / Story / অবহেলিত জীবন [৩য় পর্ব]

Sanju › 3 months ago

লেখকঃ মেহেদী হাসান

মেহেদী তুমি আমাকে চিনতে পারছোনা ৷ আমি রিমি তোমার রিমি ৷ যাকে তুমি দেখার জন্য প্রতিদিন আমাদের বাড়ির সামনে দাড়িয়ে থাকতে ৷ যাকে তুমি পাগলের মত ভালবাসতে ৷ আমি তোমার সেই রিমি ৷ কোথাই ছিলে তুমি এতদিন ৷ তুমি জান তোমাকে আমি কত খুজেছি ৷ আমিও যে তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি ৷ 【চিৎকার করে কান্না করে বলল】

আমিঃ আমি কোন রিমি কে চিনিনা ৷ আর আপনি যে মেহেদী কে চিনতেন সে আর নেই ৷ সে মারা গেছে আজ 11 বছর আগে ৷ আর কি বললেন প্রতিদিন দাড়িয়ে থাকতাম আপনাকে দেখার জন্য ৷

হুমমমমম দাড়িয়ে থাকতাম আমার প্রিয় মানুষ টাকে একনজর দেখার জন্য ৷ কিন্তু তার মন টা খুব খারাফ ছিল ৷ সে শুধু টাকাপয়সা চিনতো ৷ গরিব বড়লোকোর মধ্যে ভেদাভেদ রাখতো ৷ আর আমি তো একটা ছোটলোক লুইচ্চা ক্ষ্যাত আপনি আমাকে কেন জড়িয়ে ধরেছেন ৷

রিমিঃ প্লিজ মেহেদী আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও তুমি চলে যাওযার পর প্রতিটা রাত আমার নির্ঘুমে কাটিয়েছি ৷ প্রতিটা রাত কান্না করে বালিশ ভিজাইছি ৷ তুমি চলে যাওযার পর তোমাকে অনেক খুজেছি তুমি বিশ্বাস কর ৷ আজো তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করছি ৷ 【কান্না করে বলল】

রিয়াঃ এই আপনার সমস্যা কি হুমমম দেখছেন না আমার ভাইয়া আগের সবকিছু ভুলে গেছে ৷ আর আপনার জন্যা আমি আমার ভাইয়াকে 11 বছর দূরে ছিল ৷ আপনি আবার কি করতে আসছেন আমাদের মাঝে ৷ আমার ভাইকে আবার আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে আসছেন ৷ আর কোনদিন যেন আমার ভাইয়ার আশে পাশে না দেখি ৷ যত্তসব ফালতু মেয়ে ৷

তারপর রিয়া আমার হাত ধরে টানতে টানতে ওখান থেকে নিয়ে চলে আসলো

কিছুদূর আসার পর রিয়া বলল ৷

রিয়াঃ ভাইয়া আজ তুই আমার সাথে বাড়ি যাবি ৷

আমিঃ না আপু আমি যাব না কারন সামান্য একটা কারনে যে মা বাবা আমাকে রাস্তার কুত্তার মত মেরে বাড়ি ছেড়ে তাড়িয়ে দিয়েছে আমি সেখানে যাবনা ৷ আর তুই তো জানিস মা বাবা আমাকে একদমই সহ্য করতে পারে না ৷ কীভাবে আমাকে অবহেলা করতো তুই তো জানিস ৷

রিয়াঃ হুমমমম সব জানি তাই তুই আমার সাথে বাড়ি যাবি আমি কোনকিছু শুনতে চাই না ৷

আচ্ছা ঠিক আছে যাব কিন্তু আমি কারো সাথে কথা বলতে পারবনা ৷ যাব তোর রুমে ওকটু রেস্ট নিয়ে চলে আসব ৷ ঠিক আছে ৷

রিয়াঃ হুমমম ঠিক আছে আর তুই চলে আসার পর আমিও কারে সাথে কথা বলিনা ৷ এমনকি মায়ের সাথেও না ৷

আচ্ছা চল তারপর আমি বাইক স্টার্ট দিলাম আর রিয়া আমার বাইকে উঠে বসলো ৷

রিয়াঃ ভাইয়া তুই জানিস তুই চলে যাওয়ার পর রিমি তোর কথা প্রতিদিন আমার কাছে জিজ্ঞাসা করত ৷ কিন্তু আমি রিমিকে নানা রকম ভাবে অপমান করতাম ৷ আর রিমি মাথা নিচু করে চলে যেত ৷ রিমি মনে হয় তার সব ভুল বুঝতে পেরেছে ৷

আমিঃ হুমমমম তো কি করতে বলছিস তুই ৷ ওর মত অহংকারি মেয়ের কথা আমার সামনে বলবিনা তো ৷ খুব রাগ হয় রিমির কথা শুনলে ৷

তারপর দুজনে কথা বলতে বলতে বাড়ি চলে আসলাম ৷ আমার কেমন ভয় হচ্ছে বাড়ির মধ্যে ডুকতে ৷ আজ অনেক বছর পর আবার এই বাড়িতে পা দিচ্ছি ৷

যেখানে আমাকে প্রতিনিয়ত অবহেলা করা হত ৷ মা বাবা আমাকে তার সন্তান বলে পরিচয় দিত না ৷ সবসময় আমার সাথে খারাফ ব্যবহার করত ৷ নিজের পেটের সন্তান কে কেউ এভাবে অবহেলা করে আমার জানা ছিল না ৷ যদি আমাকে এভাবে খারাফ আচরন করবে তাহলে কেন আমাকে জন্মের সময় মেরে দিল না কেন ৷

আবার পুরানো কথা মনে পড়ে গেল ৷ ভীষন রাগ হচ্ছে আমার বুকের ভিতর কেমন চিনচিন ব্যাথা করছে ৷

কিছুক্ষন পর কেউ দড়জা খুলে দিল ৷ তাকিয়ে দেখি সামনে মা দাড়িয়ে আছে ৷

মা আমাকে দেখে কেমন এক অদ্ভুদ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ৷ মায়ের মন কেউ না চিনলেও মা হয়ত প্রথম বারে আমাকে চিনে ফেলছে ৷

মাঃ রিয়া কে এই ছেলে চেহারা টা খুব চেনা চেনা লাগছে ৷ একদম আমার মেহেদীর মত ৷

রিয়াঃ তোমার মেহেদী মানে ওহহ হচ্ছে আমার ভাইয়া মেহেদী ৷ তোমাদের কোন মেহেদী বলে ছেলে নেই ৷ আছে শুধু আমার ভাইয়া ৷ আর এই সেই মেহেদী ভাইয়া ৷ 【কিছুটা রেগে বলল র】

এইবার মায়ের চোখে কিছুটা পানি দেখতে পেলাম হয়ত খুশির পানি ৷ আজ এতদিন পর তার অবহেলিত ছেলেকে দেখেছে তাই ৷

মাঃ বাবা মেহেদী তুই এতোদিন পর কোথায় ছিলি বাবা ৷ তোর কি আমাদের কথা একবারো মৱে পড়েনি ৷ এত অভীমান তোর আমাদের উপর ৷ 【 মা আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল】

আমি কোন কথা বলছিনা কি বলব আমি আমারো মাকে দেখে কেমন একটা চাপা কান্না আসতে লাগলো খুব ভাল লাগছে মা আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে ৷

এই ভালবাসা আমি কোনদিন পাইনি ৷ ছোটবেলা থেকে আমি একা একা থেকেছি ৷ কোনদিন মা বাবা আমাকে ভালবেসে বুকে টেনে নেয় নি ৷ আজ মায়ের বুকে এসে খুব ভাল লাগছে আমার ৷

কিন্তু তা আর বেশিক্ষন রইল না আমার সেই পুরানো কথা মনে পড়ে গেল ৷ আর প্রচন্ড রাগ হতে লাগল ৷ আমার কিছু বলার আগেই রিয়া বলল ৷

রিয়াঃ আমি বলেছি না এ তোমাদের ছেলে মেহেদী না ৷ তোমাদের ছেলে মেহেদী কে তোমার 11 বছর আগে নিজের হাতে খুন করছো ৷ এখন যাকে দেখছো এ হল আমার ভাইয়া ৷ তাই তুমি একদম আলগা ভালবাসা দেখাতে আসবেন ৷ কই এতোদিন তো কখনো বলনি মেহেদী কেমন আছে কোথায় আছে ৷ 【চিংকার করে বলল】

তাই বলে রিয়া আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে তার রুমে চলে গেল ৷ আর এদিকে রিয়ার কথা শুনে মা কান্না করতে লাগল ৷

আমিঃ রিয়া তুই এটা কি করলি বোন সেই ছোট থেকে মা বাবার আদর ভালবাসা পাইনি ৷ সবসময় আমার সাথে অবহেলা করেছে আর খারাফ ব্যাবহার করেছে ৷ আজ একটু মায়ের ভালবাসা পেলাম জানিস নিজেকে কত ভাগ্যবান মনে হচ্ছে ৷ খুব ইচ্ছা করছে রে মায়ের কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকতে ৷ 【কান্না করতে করতে】

রিয়াঃ দেখ ভাইয়া বেশি ইমোশনাল হোস না ৷ তুই চলে যাওয়ার পর তোর কথা এবাড়িতে আর কেউ তোর কথা বলেনি ৷ এমন কি তুই চলে যাওয়ার পর তাদের মুখে যেন কিরকম একটা তৃপ্তি হাসি ফুটে উঠেছিল ৷ তুই শুধু আমার ভাইয়া আমার কলিজার অর্ধেক তুই ৷ কারন ছোটবেলায় আমার খেলার সাথি ভাই বোন বন্ধু বেস্ট ফ্রেন্ড সব তুই ছিলি ৷

তুই চলে যাওযার পর আমি একদম একা হয়ে যায় তুই জানিস ৷ কিছু ভাললাগতো না আমার কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করতা না ৷ তোকে খুব মিস করতাম রে ভাই ৷ তুই আমাকে ছেড়ে আর চলে যাবিনা তো ভাইয়া ৷ এবার তুই চলে গেলে সত্তি আমি খুব খারাফ কিছু করব ভাইয়া ৷

আমি আর এদের সাথে থাকতে চাই না ৷ যে মা বাবা তর নিজের সন্তানের সাথে এমন ব্যবহার করতে পারে তারা আমার মা বাবা হতে পারেনা ৷ 【 অভীমানি সুরে】

আমিঃ চুপ পাগলি তারা আমাদের মা বাবা তারা ভুল করতেই পারে ৷ আর তারা যা কিছু করে সন্তানের ভালোর জন্য করে ৷ কিন্তু আমার ভাগ্যটা মনে অন্যরকম বুঝলি ৷ আর তোকে ছেড়ে আমি কোথায় যাব না ৷ গেলে আমার কলিজারে সাথে করে নিয়ে যাব ৷

তারপর কিছুক্ষন পর দেখি মা বাবা আর ভাইয়া আর একটা মহিলা দাড়িয়ে আছে হয়ত এইটা আমার ভাবি ৷ সবাই রিয়ার রুমে এসেছে ৷ বাবার চুল গুলো একটু সাদা হয়ে গেছে ৷ আর মা এখোনো কান্না করছে ৷

আমি এবার বসা উঠে দাড়ালাম ৷

বাবাঃ কেমন আছিস বাবা মেহেদী ৷ কোথায় চলে গিয়েছিলি তুই ৷ তোর কি আমাদের কথা একবারো মনে পড়েনি ৷ এতটা অভীমান আমাদের উপর ৷ আমাদের মাপ করে দে বাবা তোর সাথে আমরা যা অন্যায় করেছি তা ক্ষমার যগ্যা না ৷ তুই আমাদের মাপ করে দে বাবা 【নরম সুরে বলল】

ভাইয়াঃ ভাই আমার তুই আমাকে মাপ করে দে ভাই ৷ সেদিন তোর পুরো কথা না শুনে তোর উপর খুব বড় অন্যয় করেছি ৷ প্লিজ ভাই আমার পুরানো সব কথা ভুলে গিয়ে মাপ করে দে ৷ 【আমার হাত ধরে বলল】

আমিঃ তোমরা তো কোন অন্যায় করনি তাহলে কেন মাপ চাইছো ৷ আর তোমাদের ছেলে মেহেদী মারা গেছে সে আর বেচে নেই ৷ আজ 11 বছর আগে মারা গেছে তোমরা তাকে মেরে ফেলেছো ৷ আর আজ যে মেহেদী কে দেখছো তার কোন অাপনজন কেউ নাই ৷ শুধু একটা মাত্ত কলিজার টুকরা বোন আছে ৷ আর আমি শুধু তার সাথে দেখা করতে এসেছি ৷ আমার মা বাবা কেউ নেই যদি থাকতো তাহলে ৷ সেই ছোট থাকতে আমাকে কঠিন অপমান আর অবহেলা পেতে হত না ৷

আচ্ছা মা বাবা তোমরা একটা সত্য কথা বলতো ৷ আমি কি সত্তিই তোমাদের সন্তান নাকি কোন এতিম খানা থেকে নিয়ে আসছিলে ৷ তোমরা যদি সত্তি আমার মা বাবা হয়ে থাকতে ৷ তাহলে তোমরা আমাকে ওভাবে অবহেলা করতে পারতে না ৷ তোমরা আমার সাথে যে পরিমান খারাফ ব্যবহার করেছো ৷ তা কোন মা বাবা তার সন্তানের সাথে এমন ব্যবহার করতে পারেনা ৷ 【 কান্না করে বললাম】

অবশ্য কথায় আছে না মা বাবা যা করে সন্তানের জন্য ভালোই করে ৷ হুমমম তোমরা যা করছো ভালোই করছে ৷ সেদিন যদি তোমরা আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে না দিতে তাহলে হয়ত তোমাদের খারাফ আচরন আর অবহেলায় আরো অনেক আগে মারা যেতাম ৷ কারন আমি কখনো খাবার খেয়েছি কিনা তোমরা তা কোনদিন জানতে চেষ্টা করনি ৸

হয়তো এ বাড়িতে আমার জন্য রান্না করা হত কিনা সঠিক জানতাম না ৷ শুধু আমার বোন টা ছিল বলে দিনে একবেলা খাবার জুটত তাও নিজের খাবার না খেয়ে আমাকে দিত ৷ সেদিন তোমরা আমাকে তাড়িয়ে দিয়ে খুব ভাল করেছিলে ৷ নইলে আরো অনেক আগে মারা যেতাম ৷

আর এখন আমার সব আছে ভাল চাকরি আছে ৷ আমার কলিজার টুকরা বোন আছে ৷ আর আমার মা বাবা আছে ৷ আপনার আবার ভাববেন না আপনাদের কথা বলছি ৷

আপনার যখন আমাকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন তখন এক লোক আমাকে তার সাথে নিয়ে যায় সেখানে আমি মা বাবার ভালবাসা পেয়েছি ৷

আপনারা আমার আপন মা বাবা হয়ে আপনাদের কাছ থেকে অবহেলা কিছুই পাইনি ৷ আর তারা আমাকে চিনেনা তারা আমাকে অপন মা বাবার মত ভালবেসেছে ৷ নিজের ছেলের মত করে ভালবেসেছে ৷

এতক্ষনে আমি যা বললাম সবাই নিচ্শুপ হয়ে শুনছিল ৷ দেখলাম মা বাবা আর রিয়া কান্না করছে ৷ আর ভাইয়া মাথা নিচু করে আছে ৷

তবে আপনারা চিন্তা করবেন না আমি এই কথা কাউকে বলবনা ৷ কোনদিন কেউ জানতে পারবেনা ৷ আর হ্যা আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এ বাড়িতে আসার জন্য ৷ কারন এ বাড়িতে আমার আসার কোন অধিকার নেই ৷ আর কোনদিন এ বাড়িতে আসবনা ৷

আর একটা কথা আমি আপনাদের থানায় জব নিয়েছি যদি কোন সমস্যা পড়েন আমাকে বলবেন আমি তা সমাধান করে দেব ৷

আসি ভাল থাকবেন ৷ যেই চলে আসতে যাব ওমনি রিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরল ৷

রিয়াঃ ভাইয়া আমাকে ছেড়ে যাস না আমি এদের সাথে থাকতে পারবনা ৷ এখানে আমার দম বন্ধ হয়ে যাবে ৷

আমিঃ প্লিজ লক্ষিটি এমন বলতে নেই তোমার মা বাবা হয় তারা ৷ তাদের সম্পর্কে এসব বলতে নেই ৷ তুমি এখানে ভাল থাকবে ৷ আর আমি একেবারে চলে যাচ্ছি নাতো ৷ আমি ডিউটিতে যাচ্ছি আবার কাল সকালে কলেজে দেখা হবে ৷

আমি এই বলে কান্না করতে করতে চলে আসলাম ৷ বাইরে এসে দেখি আমার এক চাচি দাড়িয়ে আছে ৷ আমি তাকে সেজে আম্মু বলে ডাকতাম ৷ আমার কেউ ভাল নাবাসলেও সেজে আম্মু আমাকে অনেক ভালবাসতো একদম নিজের ছেলের মত ৷ কারন তাদের কোন সন্তান ছিল না ৷

আমি সেজেআম্মুর কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলাম ৷ সেজেআম্মু আমাকে চিনতে পারিনি ৷ পরিচয় দেওয়ার পর সেও আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল ৷ আমার কপালে মুখে নাকে অসংখ্যা চুমু দিতে লাগল ৷

আমি মাঝে মাঝে খুব অবাক হই যে নিজের অাপনজন মানুষ গুলো কত বিশ্বাস ঘাকতক হয় ৷ আর যাদের সাথে কোন রক্তের সম্পর্কে নেই তারা অপনজনের চেয়ে বেশি ভালবাসে ৷

তারপর আমি আমার ডিউটিতে চলে আসি কিন্তু কাজে মন বসছেনা ৷ তাই কোয়াটারে চলে আসলাম ছুটি নিয়ে ৷ আর পুরানো কথা ভাবতে থাকলাম ৷

……………………চলবে………………………..

About Author


Administrator
Total Post: [358]

Leave a Reply




Comment: (Write Something About This Post..)

সম্পর্কযুক্ত গল্প

 
© Copyright 2019, All Rights Reserved By BdStory24.Com
About Us || Copyright Issues || Terms & Conditions || Privacy Policy